Latest News

‘গানের শহর, প্রাণের শহর’, রইল হদিশ, দেখে নিন আপনিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ওপারে’ কিংবা ‘ও গানওয়ালা আর একটি গান গাও…’

সুরের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক সমানুপাতিক। গানের সুরে পাগল হৃদয় তাই ছুটে যেতে চায় গানের শহরে। চলুন পরিচয় করে নেওয়া যাক পৃথিবীর বেশ কয়েকটি গানের শহরের সঙ্গে। সেখানে বিশ্বের সঙ্গীতপ্রেমীরা ঘুরতে যান। গানের শহর বা ‘মিউজিক্যাল সিটি’ নাম দেওয়ার পিছনে কিছু কারণ রয়েছে। কারণ এইসব শহরের সর্বত্র গান বাজে এবং পথচলতি সকলেরই গান শুনে মন থেকে ফুরফুরে হয়ে যায়। শহরের অডিটোরিয়াম, বার, ক্যাফে বা রুমে সব সময় গান বাজে।

১. বার্লিন, জার্মানিবিভিন্ন ধরণের ড্রাম থেকে অর্কেস্ট্রা, সবকিছুর জন্য একটাই নাম–বার্লিন। বিশ্বের সবচেয়ে সূক্ষ্ম স্ট্রিট মিউজিকের ঠিকানা এটি। ডেভিড বাউই, ইগ্গি পপ প্রভৃতি বিখ্যাত আর্টিস্টের গান শুনতে এখানে অনেকে আসেন। এখানকার ক্লাবগুলোতে বিশ্বের সেরা কিছু জ্যাজ গান শোনা যায়।

২. লন্ডন, ইউনাইটেড কিংডম

দুয়া লিপা, লেড, জ্যাপলিন, অ্যামি ওয়াইনহাউয় এই বিশ্বখ্যাত গায়কদের নামগুলো লন্ডনের সঙ্গে যুক্ত। লন্ডনের প্রতিটা কোণ সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত। প্রতিটা রাস্তার দেখা যায় কেউ না কেউ ব়্যাপ করছে। পাবগুলোতে চলছে পপ- জ্যাজ। ইলেকট্রিক মিউজিকের শহর লন্ডনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন সিনেমা। এখানে ২৪ ঘণ্টা জ্যাজ মিউজিক চলে।

৩. হাভানা, কিউবা

পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সাংস্কৃতিক শহর হল কিউবা। শহরের রাস্তা, পিজ্জার স্টলে, বারে সব সময় চলে গান। ২৪ ঘণ্টা ধরে মানুষ গান শোনে, গান এনজয় করে সারাদিন।

৪. ন্যাশভিলা, ইউ এস এ

বিশ্বের সেরা মিউজিক্যাল সিটির মধ্যে মধ্যে ন্যাশভিলার নাম না নিলে ভুল করা হবে। কানট্রি মিউজিকের জন্য এই শহরের বিশ্বজোরা খ্যাতি রয়েছে। গ্র্যান্ড ওল্ড অপেরাতে বিশ্বের পুরনো সব মিউজিকের আখর।

You might also like