Latest News

বাড়ছে স্ট্রেস, জমছে মেদ, কিডনি স্টোনের ঝুঁকিও বাড়ছে প্রতিনিয়ত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ অসুখ আগেও ছিল। করোনার মতো নতুন নয়। কিন্তু এত বিপুলতা ছিল না এর। কিছু কিছু রোগ আসে নিঃশব্দে। বুঝে ওঠার আগেই ঘাতক হয়ে ওঠে। আর কিছু অসুখ এমন যন্ত্রনা দেয়, যে বেঁচে থাকাই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। তেমনই একটি রোগের নাম কিডনির স্টোন।

কিডনির যেখানে মূত্র জমা হয়, সেখানে মূলত ক্যালসিয়াম ক্রিস্টাল জমা হয়ে পাথর তৈরি করে এই অসুখের প্রথম পর্যায়ে। এ পর্যন্ত বিষয়টা কিন্তু মারাত্মক ব্যথার নয়। সামান্য সমস্যা হয় বটে, কিন্তু জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে না। যখন এই পাথর বা স্টোন ইউরেটরে পৌঁছে যায়, তখনই শুরু হয় কোমর, পিঠ, পাঁজরের নীচে চরম যন্ত্রনা। মুত্র হওয়ার সময়েও যন্ত্রণা হতে পারে। ব্যথার চোটে সোজা হয়ে বসতে বা দাঁড়াতে পর্যন্ত অসুবিধা হতে পারে।

কেন বাড়ছে ঝুঁকি?

স্ট্রেসফুল জীবন:

এখন মানুষের জীবনে অবসর বলে কিছু নেই। বেশিরভাগ মানুষই ছুটছেন সারাক্ষণ। এত স্ট্রেস মানুষের শরীরের কলকব্জা সব ঢিলে করে দিচ্ছে। ফলে অসুখ বিসুখের ঝুঁকি প্রতি মুহূর্তে বেড়েই চলেছে

মেদ বাড়ছে শরীরে:

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে মেদের সমস্যা বাড়ছে। ঘরে ঘরে এখন ওবিসিটি। কায়িক শ্রম কমেছে। ফলে অতিরিক্ত মেদ ঝরার উপায় নেই। ফলে এমন মানুষদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে।

জল কম খাওয়া:

প্রচুর মানুষ আছেন, যারা কর্মব্যস্ততার কারণে জল খাওয়ার পর্যন্ত সময় পান না। কায়িক পরিশ্রম বা দৌড়াদৌড়ির ফলে শরীরে জলের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু চাহিদামতো জল না খাওয়া হলে কিডনির পাথরের ঝুঁকি বাড়ে।

শরীরচর্চার অভাব

এখনকার দিনে শহুরে মানুষদের বেশিরভাগের কাজই মস্তিষ্কপ্রসূত। দৈহিক কার্যকলাপের সুযোগ সেখানে নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ার-টেবিলে বসে চলছে কাজ। শারীরিক শ্রম হচ্ছে না। এদিকে সারাদিন শুয়ে বসে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের কারণে রাতে ঘুম আসে না। সকালে যখন ঘুম আসে, তখন আর মর্নিং ওয়াক বা ফিজিক্যাল এক্সাসাইজের সময় থাকে না। ফলে কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বাড়ে।

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস

এখন মানুষের প্রথম পছন্দ ফাস্ট ফুড। চটজলদি খাওয়াও হয়ে যায়, পেটও ভরে। কিন্তু প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে কিডনির স্টোনের সমস্যা।

You might also like