বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ? বাড়িতে নিয়ে আসুন পোষ্য, মন থাকবে ফুরফুরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়স হয়েছে ব্যানার্জিবাবুর। স্ত্রী গত হয়েছেন বছর দুয়েক আগে। ছেলে-মেয়েরাও যে যার কাজে ব্যস্ত। দু’জনেই থাকেও বিদেশে। হুট করে আসাও সম্ভব হয় না। বাড়িতে একা একা তাই সময় আর কাটতেই চায় না ব্যানার্জিবাবুর। সকালে আর বিকেলে অবশ্য নিয়ম করে হাঁটতে যান। সে সময় পাড়ার বাকিদের সঙ্গে একটু দেখা-সাক্ষাৎ, কথাবার্তা, আড্ডাও হয়। বাড়িতে সর্বক্ষণের একজন পরিচারিকাও আছেন। যত্ন-আত্তিতে কোনও ফাঁকি দেন না তিনি। কিন্তু তাতেও সময় যেন কাটতেই চায় না। বড্ড একা লাগে। দিন দিন মানসিক অবসাদও গ্রাস করছে তাঁকে। অবশেষে মনোবিদের কাছে গেলেন পরামর্শ নিতে।

সমস্যা শুনে ডাক্তারবাবুর সাফ জবাব কোনও ওষুধের দরকার নেই। বরং বাড়িতে নিয়ে আসুন একটি পোষ্য। কুকুর হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। পাখিও চলবে। বেড়াল হলেও ক্ষতি নেই। তবে হ্যাপা অনেক। তাই কুকুরই সবচেয়ে ভালো। কিন্তু মানসিক অবসাদ দূর করতে পোষ্য কেন? ডাক্তারবাবু জানালেন, বয়সকালে অবসাদ কাটাতে পোষ্যের সঙ্গে সময় কাটানোর বিকল্প নেই। শরীর থেকে মন, সবই থাকবে একদম তাজা-চাঙ্গা-ফুরফুরে।

তবে কেবল ব্যানার্জিবাবুর ডাক্তার নন, গোটা দুনিয়ার সমীক্ষা বলছে এই একই কথা। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে বিশ্বের যত লোকের পোষ্য রয়েছে তাদের মধ্যে বেশিরভাগই জানিয়েছেন, পোষ্যের সময় কাটালে তাঁদের শরীর অনেক ভালো থাকে। এমনকী স্ট্রেস কাটাতেও সাহায্য করে এই পোষ্যরা। পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের সমস্ত পোষ্যের মালিকদের মধ্যে ৭৮ শতাংশ লোক বলছেন, পোষ্যরা শারীরিক ভাবে ফিট থাকতে সাহায্য করে। আর ৬৫ শতাংশ লোকের মতে পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটালে স্ট্রেস কমে যায় অনেকটাই। এমনকী অনেকেই জানিয়েছেন, কোনও সময়ে খুব দুঃখ পেলে সেটাও খুব নির্ভয়ে বলা যায় নিজের পোষ্যকে। আর তারপর নিজেকে অনেকটা হাল্কাও লাগে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More