মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮
TheWall
TheWall

ঘুম থেকে উঠলেই নাগাড়ে হাঁচি! সমস্যা এড়াতে কী কী করবেন জেনে নিন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের মরশুমে অ্যালার্জির সমস্যা বড্ড কষ্ট দেয়। বিশেষ করে যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাঁদের সমস্যা তো আরও বেশি। অনেকেরই আবার সাতসকালে হাঁচি হওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। ঘুম থেকে উঠে মাটিতে পা দিলেই শুরু হয়ে যায় হাঁচি। সঙ্গে চোখ-নাক দিয়ে লাগাতার জল পড়া তো রয়েইছে।

তবে খুব সাধারণ কয়েকটা উপায় মেনে চললেই এইসব সমস্যা এড়ানো সম্ভব। শুধু মাথায় রাখতে হবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলেই মিলবে স্বস্তি। সকাল সকাল আর হাঁচির প্রকোপে কষ্ট পেতে হবে না।
কী কী করবেন-
১। শীতকালে লেপ-কম্বলের তোলা থেকে বেরোনোর আগে নিজের শরীরকে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে একটু খাপ খাইয়ে নেওয়া ভাল। গায়ে সামান্য গরম জামাকাপড় রেখে তবেই বিছানা ছাড়ুন। নইলে লেপ-কম্বলের ভিতরে থাকা শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবে না। ফলে চট করে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত, তাঁরা ঘুম থেকে উঠে বিছানা ছাড়ার আগে অবশ্যই পায়ে চটি পড়ুন। কারণ সরাসরি ঠান্ডা মেঝের সংস্পর্শে এলে শরীর খারাপ হতে পারে। তাই ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই ঠান্ডা মেঝেতে পা না দিয়ে পায়ে চটি গলান।
৩। হাঁচি, কাশি কিংবা চোখ-নাক দিয়ে জল পড়ার সমস্যা থাকলে পরিষ্কার বিছানা ব্যবহার করুন। দুই থেকে তিন দিন অন্তর বিছানার চাদর এবং বালিশের ওয়ার পাল্টে নিন। আর সবসময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করুন।
৪। সকালে উঠে প্রথমবার মুখ ধোয়ার সময় গরম জল ব্যবহার করাই ভালো। নইলে ঠান্ডা লেগে অ্যালার্জির প্রভাব বাড়তে পারে। তাই প্রথমবার দাঁত মাজা কিংবা মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে গরম জলের ব্যবহার প্রয়োজন।
৫। যাঁরা সকালে হাঁটতে বেরোন কিংবা অন্যান্য কাজে সকালে বেরোতে হয় শীতের মরশুমে তাঁরা সাবধানে থাকবেন। অবশ্যই ভালো করে গরম জামাকাপড় পরে তারপর বাইরে বেরোবেন। ধোঁয়া এবং ধুলো থেকে দূরে থাকাই ভালো। দূষণ এড়াতে প্রয়োজনে মাস্ক পড়ুন।
Share.

Comments are closed.