নির্ভয়া-অপরাধীদের ফাঁসি প্রায় নিশ্চিত! রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষার জন্য হাতে আছে আর চার দিন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র চার দিন সময় রয়েছে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করার। তা না করলে, যে কোনও দিন ফাঁসি হতে পারে নির্ভয়া গণধর্ষণ-কাণ্ডের চার সাজাপ্রাপ্ত আসামির। নোটিস জারি করে এমনটাই জানিয়ে দিলেন তিহাড় তিহার জেল কর্তৃপক্ষ।

জেল সূত্রের খবর, নির্ভয়া-কাণ্ডের চার জন সাজাপ্রাপ্তই মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারত সুপ্রিম কোর্টে, আদালতের রায়কে পুনর্বিবেচনা করার জন্য বলতে পারত। ফাঁসির সাজার বদলে যাবজ্জীবনের আবেদনও করতে পারত সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে। কিন্তু চার জনের মধ্যে কেউই এই দুটোর মধ্যে কোনও পদক্ষেপই নেয়নি। 

তিহাড় জেলের ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েল ওই নোটিসে বলেছেন, “নির্ভয়া কাণ্ডে ফাঁসির সাজা পাওয়া চার জনের মধ্যে তিন জন তিহাড় জেলে রয়েছে। চতুর্থ জন রয়েছে মাণ্ডোলি জেলের ১৪ নম্বরে। চার জনকেই দায়রা আদালত মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে। হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টও সিলমোহর লাগিয়েছে সেই সিদ্ধান্তে। এই অবস্থায় চার জন সাজাপ্রাপ্তই ফাঁসির সাজা রদ করার আবেদন করে তা অন্য কোনও সাজায় পরিবর্তন করার আবেদন জানাতে পারত। জেল তাদের এ বিষয়ে জানিয়েছিল।”

সূত্রের খবর, চার জনের কেউই এত দিন ধরে কোনও পদক্ষেপ করছে না দেখে এই মঙ্গলবারই তিহাড় এবং মাণ্ডোলি জেল কর্তৃপক্ষ চার জনকেই এ বিষয়ে আলাদা করে নোটিস দেয়। নোটিসেই বলা ছিল, সাজাপ্রাপ্তরা আর সাত দিনের মধ্যে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে পারবে রাষ্ট্রপতির কাছে। নইলে আর সময় নেই।

কিন্তু এই নোটিস পাওয়ার পরে নাকি চার জন সাজাপ্রাপ্ত আসামিই চুপচাপ হয়ে গেছে। সন্দীপ গোয়েল জানান, আর দিন তিনেক বাকি আছে মাত্র। এর মধ্যে কেউ যদি কোনও আবেদন না করে, তবে জেল কর্তৃপক্ষ তা জানাবে ট্রায়াল আদালতকে। সেখান থেকেই মৃত্যু পরোয়ানা কবে জারি করা হবে তার নির্দেশ আসবে।

এই পরোয়ানা চলে আসা মানেই সাজাপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসি চূড়ান্ত।

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে দিল্লির মুনিরকা এলাকায় চলন্ত বাসের ভিতরে ২৩ বছর বয়সি প্যারামেডিক্যাল ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ছয় দুষ্কৃতী। মারা যান ওই ছাত্রী। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ জনের ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। এক দুষ্কৃতী নাবালক হওয়ার কারণে দু’মাস জুভেনাইল হোমে বন্দি থাকার পরে মুক্তি পায়। বাকি পাঁচ জনের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত রাম সিং জেলের ভিতরে আত্মহত্যা করে। এই চার জন কি ফাঁসির দড়িতেই ঝুলবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯–এ প্রকাশিত গল্প

প্রতিফলন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More