বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

যাদবপুরে ব়্যাফ, মুক্ত বাবুল, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উঠল প্রশ্ন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাড়ে ছ’ঘণ্টা বন্দি থাকার পরে রাজ্যপালের কনভয়ে অবশেষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হতে পেরেছেন বাবুল সুপ্রিয়৷ ঘুর পথে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের গাড়ি করেই ক্যাম্পাস ছাড়েন তিনি৷ ক্যাম্পাস ছাড়তে পারেন রাজ্যপালও। আর এসবের মধ্যেই তৈরি হয়ে গেল নতুন প্রশ্ন। তুললেন খোদ রাজ্যপাল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কি সত্যই স্বাভাবিক?

এদিন কার্যত বিক্ষোভরত বামপন্থী পড়ুয়াদের চোখে ধুলো দিয়ে চার নম্বরের বদলে তিন নম্বর গেট দিয়ে বাবুল সুপ্রিয় ও রাজ্যপালের কনভয় বের করে পুলিশ৷ তবে সেটা দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পরে। স্বাভাবিক ভাবেই উঠছে প্রশ্ন– রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান আটকে থাকার পরেও কেন এত সময় লাগল তৎপর হতে?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে যাদবপুর ক্যাম্পাসে রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনখড়। তিনি ক্যাম্পাসে গিয়ে বাবুলকে গাড়িতে তুলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর রাস্তায় বসে পড়েন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। রাজ্যপালের সঙ্গে থাকা পুলিশ আধিকারিকরাও ছাত্রদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ছাত্রদের দাবি ছিল, বাবুল ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান থেকে সরবেন না। অন্য দিকে ক্যাম্পাসের চার নম্বর গেটের পাশে ছাত্র সংসদ কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে এবিভিপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

বাবুল ও রাজ্যপালকে ঘেরাও মুক্ত করার জন্য পড়ুয়াদের বোঝানোর চেষ্টা করেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা৷ কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি বলেই সূত্রের খবর৷ অবশেষে, কৌশলে রাজ্যপাল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ৷ চার নম্বর গেটের দিকে যেতে যেতেই হঠাৎ তিন নম্বর গেটের দিকে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়৷ আর ওই গেট দিয়েই বের করে দেওয়া হয় কনভয়কে৷

অন্য দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে কার্যত তাণ্ডব শুরু করে গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠন আখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)৷ রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তারা৷ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়গোটা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর৷ মোতায়েন হয় পুলিশ বাহিনী৷ বিক্ষোভকারীদের থামাতে রাস্তায় নামে ব়্যাফ৷

Comments are closed.