বৃষ্টির মধ্যে জোরে গাড়ি চালাতে গিয়েই বিপদ, ধর্ষিতার দুর্ঘটনায় বিধায়কের দোষ খুঁজে পেল না সিবিআই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ৮ জুলাই উত্তরপ্রদেশের রায় বরেলিতে বড় দুর্ঘটনায় পড়েন উন্নাওয়ের ধর্ষিতা। তিনি নিজে ও তাঁর আইনজীবী গুরুতর আহত হন। তাঁর পরিবারের দু’জন মারা যান। অভিযোগ, ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বিধায়ক কুলদীপ সেনগারই জেল থেকে ধর্ষিতাকে খুনের ছক কষেছিলেন। সেজন্যই একটি ট্রাক অভিযোগকারিণীর গাড়িতে ধাক্কা মেরেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব।

ধর্ষিতা তরুণীর কাকা রায় বরেলি জেলে বন্দি আছেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করে সপরিবারে ফিরছিলেন অভিযোগকারিণী। তাঁরা দুর্ঘটনার সময় মারুতি সুজুকি সুইফট গাড়িতে ছিলেন। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে একটি ট্রাক সেই গাড়িতে ধাক্কা মারে। ট্রাকের চালক আশিস কুমার পাল ধরা পড়েন। তাঁর বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে। অর্থাৎ সিবিআইয়ের বক্তব্য বৃষ্টির মধ্যে যথেষ্ট সতর্ক না হয়ে গাড়ি চালানোর জন্য দুর্ঘটনা হয়েছে। দুর্ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র ছিল বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন না।

দুর্ঘটনার পরে দেখা গিয়েছিল, ঘাতক ট্রাকটির নম্বর প্লেটের ওপরে কালো রঙ করা আছে। ধর্ষিতার জন্য পুলিশ নিরাপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার সময় রক্ষী গাড়িতে ছিলেন না। মেয়েটির মা পরে বলেন, জেলের মধ্যে কুলদীপ সেনগারের কাছে ফোন আছে। জেলের ভিতরে বসেই তিনি অপরাধীদের নির্দেশ দেন।

অভিযোগকারিণী ২০১৭ সালের জুন মাসে বলেন, তিনি উন্নাওয়ের বিধায়কের কাছে চাকরি চাইতে গিয়েছিলেন। বিধায়ক তাঁকে ধর্ষণ করেন। এক বছর ধরে অভিযোগ করার পরেও পুলিশ প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি তখন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে গায়ে আগুন দিতে যান। কয়েকদিন বাদে অভিযোগকারিণীর বাবা পুলিশ হেপাজতে মারা যান। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে জানা যায়, মারধরের ফলেই তিনি মারা গিয়েছেন। ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করে, খুনের ঘটনায় কুলদীপ সেনগারের ভাই অতুল সেনগার জড়িত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More