সোমবার, আগস্ট ২৬

কীভাবে এগিয়েছে কুলভূষণ যাদব মামলা

২০১৬ সালের মার্চে পাকিস্তান পুলিশের হাতে ধরা পড়েন নৌবাহিনীর প্রাক্তন কর্মী কুলভূষণ যাদব। পরের বছর ভারত আপিল করে আন্তর্জাতিক আদালতে। তারপরে অনেক ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে এই মামলা। তার রায় ঘোষণা করা হবে বুধবার।

  • ৩ মার্চ, ২০১৬ – পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশে ধরা পড়েন কুলভূষণ। পাকিস্তান পুলিশের অভিযোগ, তিনি গুপ্তচর সংস্থা ‘র’-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার জন্য বালুচিস্তানে ঢুকেছিলেন।
  • ২৫ মার্চ, ২০১৬ – ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, কুলভূষণকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ – পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী সরতাজ আজিজ বলেন, কুলভূষণের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই দিনে বিদেশমন্ত্রক থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, এই মন্তব্য ঠিক নয়।

  •  ৬ জানুয়ারি, ২০১৭ – পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে, তারা রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুয়াত্রেসের কাছে নির্দিষ্ট প্রমাণ সহ জানিয়েছে, ভারত তাদের দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়।
  • ১০ এপ্রিল, ২০১৭ – পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, সেনা আদালতে কুলভূষণকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
  • ২৬ এপ্রিল, ২০১৭ – পাকিস্তান জানিয়ে দিল, ভারতের দূতাবাসের কাউকে কুলভূষণের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হবে না।
  • ৮ মে, ২০১৭ – ভারত রাষ্ট্রসঙ্ঘে অভিযোগ করে, পাকিস্তান ভিয়েনা কনভেনশনে গৃহীত নীতি অমান্য করেছে।
  • ৯ মে, ২০১৭ – ভারতের আবেদনে সাড়া দিয়ে আন্তর্জাতিক আদালত কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখে।
  • ১৫ মে, ২০১৭ – আন্তর্জাতিক আদালত জানায়, কুলভূষণকে নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান, উভয়ের বক্তব্য শোনা হবে।
  • ১৩ জুন, ২০১৭ – আন্তর্জাতিক কোর্ট স্থির করে, ১৩ সেপ্টেম্বর বক্তব্য পেশ করবে ভারত। পাকিস্তান পালটা বক্তব্য পেশ করবে ১৩ ডিসেম্বর।
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ – আন্তর্জাতিক কোর্ট স্থির করে ১৭ এপ্রিল ভারত বক্তব্য পেশ করবে। ১৭ জুলাই পাকিস্তান পালটা বক্তব্য পেশ করবে।
  • ফেব্রুয়ারি ১৮-২১, ২০১৯ – ভারত ও পাকিস্তানের আইনজীবীরা দু’দফা বিতর্ক চালান।
  • ৪ জুলাই, ২০১৯ – আন্তর্জাতিক আদালত ঘোষণা করে, ১৭ জুলাই, স্থানীয় সময় তিনটেয় বিচারপতি আবদুল কাওয়াই আহমেদ ইউসুফ রায় দেবেন।

Comments are closed.