করোনায় মৃতের সৎকারের অধিকার পাবেন পরিজনরা, গঙ্গাজলও ছেটানো যাবে, রায় কলকাতা হাইকোর্টের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনায় মৃতের সৎকার নিয়ে গোড়া থেকে একটা বিভ্রান্তি ছিল রাজ্যে। মৃতদের সৎকারের অধিকার থেকে কেন পরিবারকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, কেন পরিজনদের না দেখিয়েই তা দাহ করা হচ্ছে তা নিয়েও অসন্তোষ ছিল তীব্র। কিন্তু বুধবার এ ব্যাপারে একটি জনস্বার্থ মামলার রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, কোভিড রোগীর সৎকারের অধিকার তাঁর পরিবার বা কাছের মানুষ পাবেন। তবে এ ব্যাপারে কিছু স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

সেগুলি কী?

এক, হাইকোর্টের বিচারপতিরা জানিয়েছেন, মৃতদেহের পোস্ট মর্টেম করতে না হলে তা অবিলম্বে পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে। মৃতদেহ বডি ব্যাগে রাখতে হবে। মুখের দিকে ব্যাগের অংশ যেন স্বচ্ছ থাকে। ব্যাগের বাইরেটা ভাল করে স্যানিটাইজ করতে হবে।

দুই, যারা শব বহন করবেন তাঁরা যেন মাস্ক, গ্লাভস পরে থাকেন। পারলে যেন পিপিই পরে নেন।
তিন, শববাহী গাড়ি ভাল করে জীবানুমুক্ত করতে হবে।

চার, শ্মশান ও কবরস্থানের কর্মীদের সংক্রমণ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। তাঁরা যেন সবরকম সুরক্ষা ব্যবস্থা নেন।

পাঁচ, শশ্মানে বা কবরস্থানে গিয়ে বডি ব্যাগের মুখের দিকের অংশ খুলে দেওয়া যেতে পারে। যাতে মৃতের পরিবার পরিজনরা শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে পারেন। এই সময়ে ধর্মীয় আচার, মন্ত্র পাঠ, পবিত্র জল ছেটানো—সবই করা যেতে পারে। তবে মৃতদেহ স্পর্শ করা যাবে না।

ছয়, মৃতদেহের সৎকারের পর পরিবারের লোকজনকে ভাল করে স্যানিটাইজ করতে হবে।

সাত, তবে বিচারপতিরা জানিয়েছেন, মৃতদেহ নিয়ে মৃতের বাড়িতে যাওয়া যাবে না। হাসপাতাল থেকে সোজা মরদেহ সোজা শশ্মানে বা কবরস্থানে নিয়ে যেতে হবে।

বিচারপতিরা অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁরা যে গাইডলাইনের কথা বলেছেন সেটাই চূড়ান্ত নয়। সরকার বা স্থানীয় প্রশাসন আরও কিছু স্বাস্থ্যবিধি বা নিয়ম মেনে চলার কথা বলতেই পারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More