বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫

আমেরিকায় চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফিরলেন জেটলি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ডিলাইটেড টু ব্যাক হোম। আমেরিকায় চিকিৎসা করিয়ে শনিবার বিকালে বাড়ি ফিরলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তারপরই এক লাইনের টুইট করলেন, বাড়ি ফিরে আনন্দিত।

এবছর অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারেননি জেটলি। তবে চিকিৎসার জন্য যখন আমেরিকায় ছিলেন, তখনও রাজনীতি নিয়ে টুইট করেছেন। এখন লোকসভা নির্বাচনের জন্য ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের রাজনীতি। তারই মধ্যে বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা জেটলি ফিরলেন দেশে।

৬৬ বছরের জেটলি গত বছর এপ্রিল মাস থেকে নর্থ ব্লকে যাওয়া বন্ধ করেন। পরের মাসে ভর্তি হন দিল্লির এইমসে। অগাস্টে ফের অফিস যাওয়া শুরু করেন। কিন্তু ১৩ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য যান আমেরিকায়। তার ১০ দিন বাদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন পীযূষ গয়াল। তিনিই ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করেন।

বাজেটের পরে সাংবাদিকরা জেটলিকে প্রশ্ন করেন, কবে দেশে ফিরছেন? তিনি বলেন, আমার চিকিৎসা শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি ক্রমশ সেরে উঠছি। ডাক্তাররা যখন অনুমতি দেবেন, তখনই দেশে ফিরব।

বিদেশে থাকাকালীন তিনি সিবিআই প্রধান নিয়োগ, বিরোধীদের মহাজোট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেছেন। বিরোধীদের আখ্যা দিয়েছেন, ‘নবাবস অব নেগেটিভিটি’। অর্থাৎ তিনি বলতে চান, বিরোধী নেতারা চরম নেতিবাচক রাজনীতি করেন। যেভাবেই হোক সরকারের ভুল ধরাই তাঁদের কাজ। কিন্তু নিজেদের কোনও গঠনমূলক কর্মসূচি নেই।

বিরোধীদের জোটকে তিনি আখ্যা দিয়েছিলেন, ক্লেপ্টোক্র্যাটস ক্লাব। অর্থাৎ চোরেদের ক্লাব। তাঁর কথায়, নেতিবাচক মানসিকতার নেতারা পরস্পরের কাছাকাছি আসতে পারেন। কিন্তু মানুষের কাছে এই জোটের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।

গত শুক্রবার তিনি ফেসবুকে নিকাহ হালালা নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, কোনও কোনও ঘটনা এতই নির্মম যে তাতে সমাজের বিবেক নাড়া খায়। পার্সোনাল ল তার উদাহরণ। এর মাধ্যমে মানুষের প্রতি অবিচার করা হয়। বরেলির একটি ঘটনা আমার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। ঘটনাটি নিকাহ-হালালা সংক্রান্ত। এক মহিলার বিবাহ হয়েছিল ২০০৯ সালে। তিন তালাক দিয়ে তাঁকে দু’বার ডিভোর্স করা হয়। প্রথমবার ২০১১ সালে, দ্বিতীয়বার ২০১৭ সালে।

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মেট্রো চ্যানেলে ধর্ণায় বসেন, তখনও জেটলি টুইট করেছিলেন। তিনি লেখেন, মমতা প্রমাণ করতে চাইছেন, বিরোধী রাজনীতি তাঁকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হচ্ছে। তাই তিনি ধরনায় বসেছেন। সিবিআই কলকাতা পুলিশের প্রধানকে জেরা করতে চেয়েছিল। তা নিয়ে মমতা বাড়াবাড়ি রকমের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

Shares

Comments are closed.