বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

কর্ণাটকে মন্ত্রীদের ইস্তফা, দলত্যাগ রুখতে বিধায়কদের নিয়ে যাওয়া হল রিসর্টে

  • 23
  •  
  •  
    23
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ঘন ঘন বদলে যাছে কর্ণাটকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সোমবার সকালে শোনা গিয়েছিল, সরকার বাঁচাতে রাজ্যের সব মন্ত্রী একযোগে ইস্তফা দিতে পারেন। বিকালেই শোনা গেল, মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী বাদে সব মন্ত্রীই ইস্তফা দিয়েছেন। এর আগে ১২ জন বিধায়ক ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছিলেন। শূন্য মন্ত্রিসভায় তাঁদের মন্ত্রী করার লোভ দেখিয়ে এযাত্রা বিদ্রোহ থামাতে চায় কংগ্রেস, জেডি এস জোট। তাদের ধারণা এইভাবে সরকার বাঁচানো সম্ভব হবে।

দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে যে বিধায়করা ইস্তফা দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন কংগ্রেসের ন’জন ও জেডি এসের তিনজন। তাঁরা শনিবার স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। তাঁদের চ্যাটার্ড প্লেনে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মুম্বইতে। বান্দ্রা-কুরলা অঞ্চলে সোফিটেল নামে এক পাঁচ তারা হোটেলে আছেন ১০ জন। সেখানে প্রতিটি ঘরের দৈনিক ভাড়া ১০ হাজার টাকার বেশি। তিন বিধায়ক গিয়েছেন শিরদিতে।

অন্যদিকে এখনও যে বিধায়করা কর্ণাটকে সরকারের পক্ষে আছেন, তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে কোদাগু নামে এক জায়গায়। সেখানে পেন্টাগন রিসর্টে তাঁদের রাখা হয়েছে। জেডি এস ভাড়া নিয়েছে ১০ টি প্রাইভেট পুল যুক্ত ভিলা, সাতটি বাংলো এবং কয়েকটি ডিলুক্স রুম। ঘরগুলির ভাড়া ন’হাজার টাকা থেকে শুরু। পুল সহ ভিলার ভাড়া ২৫ হাজার টাকার বেশি।

চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার বিধায়কদের বেঙ্গালুরু থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। জানুয়ারি মাসে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকের আগে বিধায়কদের আলাদা রিসর্টে রাখা হয়েছিল। কংগ্রেস আশঙ্কা করছিল, বিজেপি সুযোগ পেলে কয়েক জনকে কিনে নিতে পারে।

২০১৭ সালে রাজ্যসভা ভোটের আগে গুজরাতের কংগ্রেস বিধায়কদেরও কর্ণাটকে এনে রাখা হয়েছিল। মাইসুরু জেলা পরিষদের নির্বাচনের আগে বিজেপি ও জেডি এস সদস্যরা ছিলেন একই রিসর্টে।

Comments are closed.