বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

স্পিকার আমাদের ইস্তফা গ্রহণ করছেন না, সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ কর্ণাটকের বিদ্রোহীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছেন না কর্ণাটকের রাজ্যপাল কে আর রমেশ কুমার। তিনি আমাদের রেজিগনেশান নিতে দেরি করছেন। এই বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানালেন কর্ণাটকের ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস ও জেডি এস, দুই দলের এমএলএ-রাই আছেন। তাঁদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের এজলাসে আবেদন পেশ করেন প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তার ওপরে দ্রুত শুনানির জন্য তিনি অনুরোধ করেন। প্রধান বিচারপতি বৃহস্পতিবারই আবেদন শুনতে রাজি হয়েছেন।

মঙ্গলবারই স্পিকার রমেশ কুমার আট বিধায়কের ইস্তফাপত্র বাতিল করে দেন। তিনি বলেন, ওই বিধায়করা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ইস্তফাপত্র পেশ করেননি। তাঁর জানা দরকার, বিধায়করা স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে চাইছেন কিনা।

বুধবার বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে রীতিমতো নাটক হয় মুম্বইয়ে। ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পরেই তাঁদের চ্যাটার্ড বিমানে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মুম্বইয়ে। হোটেল রেনেসাঁস নামে এক পাঁচতারা হোটেলে তাঁদের রাখা হয়েছে। তাঁরা মঙ্গলবার রাতে পুলিশকে চিঠি দেন, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ও কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার হয়তো তাঁদের হোটেলে জোর করে ঢুকতে চাইবেন। তাঁদের যেন ঢুকতে না দেওয়া হয়।

এরপর বুধবার সকালে শিবকুমার সেই হোটেলে ঢুকতে চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁকে গেটেই আটকে দেয়। শিবকুমার বলেন, হোটেলে তাঁর ঘর বুক করা আছে। কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি হোটেলে ঢুকতে চান। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিবকুমার ঘর বুক করেছিলেন ঠিকই কিন্তু জরুরি কারণে বুকিং ক্যানসেল করা হয়েছে। হোটেলের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার শিবকুমারকে বলেন, স্যার আপনাকে হোটেলের কয়েকজন বোর্ডার ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা পুলিশকে চিঠি দিয়েছেন। এই অবস্থায় আপনাকে ভিতরে ঢুকতে দিতে পারি না।

পুলিশের সঙ্গে যখন শিবকুমারের তর্কাতর্কি চলছে, বিদ্রোহী বিধায়কদের সমর্থকরা ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি দেন। শিবকুমার বলেন, কেউ আমার বিরুদ্ধে স্লোগান দিলে ভয় পাই না। আমি নাকি নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক। সেজন্য আমাকে হোটেলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। মহারাষ্ট্র সরকারের প্রতি আমার যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। আমার কাছে কোনও অস্ত্র নেই।

Comments are closed.