রবিবার, অক্টোবর ২০

কেন কর্ণাটকে সরকার গড়তে গ্রিন সিগন্যাল দিচ্ছেন না অমিত শাহ?

  • 23
  •  
  •  
    23
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আস্থাভোটের জন্য বিধানসভায় বার বার তাড়া দিচ্ছিলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। কিন্তু মঙ্গলবার কুমারস্বামী সরকার পড়ে যাওয়ার পরে প্রায় দু’দিন কেটে যাওয়ার পরেও সরকার গঠনের দাবি জানায়নি বিজেপি। কর্ণাটকের বিজেপি নেতারা দিল্লিতে দলের সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছেন। এদিন তাঁরা দু’দফায় অমিত শাহ ও কার্যনির্বাহী সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু কবে তাঁরা সরকার গঠনের দাবি জানাবেন এখনও পরিষ্কার হচ্ছে না। একটি সূত্রের খবর, সরকার গঠনের জন্য যে গরিষ্ঠতা দরকার তা বিজেপি এখনও জোগাড় করতে পারেনি। তাই ইয়েদুরাপ্পা রাজ্যপাল বাজুভাই বালার কাছে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাচ্ছেন না।

বিজেপি সূত্রে খবর, দলের নেতৃত্ব চান না কেউ তাঁদের ক্ষমতালোভী বলুক। তাই তাঁরা ধৈর্য ধরে আছেন। তাঁদের অনেকে চাইছেন, কর্ণাটকে কিছুদিন রাষ্ট্রপতির শাসন চলুক। তারপর তাঁরা সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। তার মধ্যে সরকার গড়ার জন্য উপযুক্ত সংখ্যক বিধায়কের সমর্থনও জোগাড় করা যাবে। বিধানসভায় গরিষ্ঠতা পেতে হলে চাই ১১৩ টি আসন। বিজেপির এখন রয়েছে ১০৫ টি।

বিজেপির কয়েকজন নেতা চাইছেন, কর্ণাটক নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা হয়েছে, বিচারপতিরা তার কী রায় দেন দেখে তবে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তাছাড়া বিদ্রোহী বিধায়কদের ব্যাপারে স্পিকার কে আর রমেশ কুমার কী করেন, তাও আগে দেখে নিতে চাইছেন বিজেপি নেতারা। স্পিকার যদি বিদ্রোহীদের ডিসকোয়ালিফাই করেন, তাহলে এখন তাঁদের মন্ত্রী করা সম্ভব হবে না।

এদিন সকালে প্রথম দফায় অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসেন কর্ণাটকের বিজেপি নেতা জগদীশ সেত্তার, বাসবরাজ বোম্মাই, অরবিন্দ লিম্বাবালি প্রমুখ। পরে দুপুর তিনটে থেকে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক শুরু হয়। জগদীশ সেত্তার বলেন, আমাদের সংসদীয় বোর্ড এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এসে অরবিন্দ লিম্বাবালি সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা কর্ণাটকের অবস্থা জানেন। নতুন সরকার তৈরি হতে চলেছে। আগের সরকার গরিষ্ঠতা হারিয়েছে। আমরা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইব, এর পরে কী করা যায়।

Comments are closed.