শ্যুটিং করতে গিয়ে গোয়ার গ্রাম নোংরা করে এসেছে করণ জোহরের দলবল! ক্ষমা চাইতে হবে তাদের

১,০৩১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুছ কুছ হোতা হ্যায় থেকে স্টুডেন্ট অফ্ দ্য ইয়ার– করণ জোহরের কাজের পরিধি ও গভীরতা দুইই ব্যাপক। এতদিন ধরে এত সিনেমা করে, বলিউডে তাঁর নামটাই যেন একটা ব্র্যান্ড। সেই করণ জোহারের ধর্মা প্রোডাকশনই এখন পড়েছে বিপাকে।

সম্প্রতি একটি ছবির শ্যুটিংয়ের জন্যে তাঁদের যেতে হয়েছিল গোয়াতে। সেখানেই একটি গ্রাম নোংরা ও অপরিষ্কার করার জন্যে গোয়া সরকার কৈফিয়ত চেয়েছে ধর্মা প্রোডাকশন হাউসের কাছে। সংস্থাকে সর্বসমক্ষে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। আর যদি এর অন্যথা হয় তাহলে, এই প্রযোজনা সংস্থাকে জরিমানা পর্যন্ত দিতে হতে পারে বলে জানা গেছে।

যে সিনেমার শ্যুটিং চলছিল, যেখানে নায়িকা হিসেবে রয়েছেন দীপিকা পাডুকোন। উত্তর গোয়ার নেরুলে এই ছবির শ্যুটিং চলছিল, যা শেষ হয় গত সপ্তাহে। শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর দেখা যায় যে শ্যুটিংয়ের বর্জ্যপদার্থ তাঁরা পরিষ্কার না করেই চলে গেছেন। এর ফলে ওখানকার বাসিন্দারা এর বিরুদ্ধে সরব হন।

বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয় অচিরেই। এরই ফলস্বরূপ মঙ্গলবার গোয়া রাজ্য পরিচালিত এন্টারটেনমেন্ট সোসাইটি ধর্মা প্রোডাকশনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনের সময় গোয়ার মন্ত্রী মাইকেল লাবো বলেছেন, “ধর্মা প্রোডাকশন এবং কলা কুশলীরা শ্যুটিং করার জায়গাটা পরিষ্কার না করেই চলে গেছেন। এই কারণে তাঁদের রাজ্যবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁরা যদি ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে নেন বিষয়টি স্বীকার করে, তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে। না হলে আমরা ধর্মা প্রোডাকশনকে জরিমানা করব।”

এর পরিপ্রেক্ষিতে কঙ্গনা রানাউত স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে খোঁচা দিয়ে টুইটও করে বসেন। তিনি বলেন, “বড় ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস,অথচ তাঁদের দায়িত্বজ্ঞানের কত অভাব! যে কোনও শিল্পের মতো সিনেমাও জাতির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বহন করে। তা কোনও ভাবেই পরিবেশের ক্ষতি করে না।”

এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যে তিনি প্রকাশ জাভড়েকর এবং এমওইএফসিসিকে-ও ট্যাগ করেন নিজের টুইটে।

এদিকে প্রোডাকশন হাউসের এক লাইটম্যান দিলীপ জানিয়েছেন যে, “শ্যুটিংয়ের পরে প্রতিদিন স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে নির্ধারিত আবর্জনা ফেলার জায়গাতেই বর্জ্য ফেলা হতো। রবিবার বাদে প্রতিদিন একজন ঠিকাদার সেখান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করতেন। এর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতেও রয়েছে। ফলে এই অভিযোগ পুরোপুরি সত্যি নয়।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More