প্রেমিকার তিন বছরের সন্তানকে খুন করে কংক্রিটে গেঁথেছিল, ১০৯ বছরের জেল খুনির

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘৃণ্য অপরাধ করেছে সে। তাই তার শাস্তিও হলো এমন যা সচরাসর শোনা যায় না। আমেরিকার একটি আদালত তাকে ১০৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

    প্রেমিকার তিন বছরের সন্তানকে খুন করে বাড়ির গ্যারেজে কংক্রিটে বাঁধিয়ে রেখে দিয়েছিল কানসাসের বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন বডিন। এই কাজে তাকে সাহায্য করেছে তিন বছরের বাচ্চাটির মা মিরান্ডা মিলারও। মিরান্ডার শাস্তি ঘোষণা হবে আগামী মাসে। বিচারক স্টিভ টার্নে স্টিফেনকে বলেন, তুমি ভয়ঙ্কর ধরনের রাক্ষস। তুমি কাপুরুষও।

    তিন বছরের ইভান ব্রিউয়ার কানসাসে থাকত মা মিরান্ডা ও তার প্রেমিক স্টিফেনের সঙ্গে। বাচ্চাটির উপরে জঘন্য ধরনের অত্যাচার করত মিরান্ডা ও স্টিফেন। বেসমেন্টে শিশুটিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক কোণে দাঁড় করিয়ে রাখত তারা। তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ওই বাড়িরই গ্যারেজে কংক্রিটের মেঝেতে ইভানের মৃতদেহ আবিষ্কার করেন ওই বাড়ির মালিক।

    মিরান্ডা ও স্টিফেনের অজান্তেই ওই বাড়ির নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে শিশুটির উপর তাদের অত্যাচারের অসংখ্য ছবি। প্রায় ১৬ হাজার ছবি ও ভিডিও আদালতে জমা দেন আইনজীবীরা। আদালতে মিরান্ডা বলে, ২০১৭ সালের ১৯ মে মারা যায় শিশুটি। সে দিন ইভান খেতে চাইছিল না বলে স্টিফেন তাকে বেশ কয়েক ঘণ্টা ঘরের এক কোণে জোর করে দাঁড় করিয়ে রাখে। তার পরে তাকে টানতে টানতে বাথরুমে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে বাথরুম থেকে যখন স্টিফেন বেরোয় তখন তার কোলে ছিল ইভানের ভেজা ও প্রাণহীন দেহ। নিজের অপরাধ লুকোতে স্টিফেন কংক্রিট গুলে তার মধ্যে শিশুটিকে গেঁথে দেয়। কয়েক মাস পরে যখন শিশুটির দেহ পাওয়া যায়, তখন তার দেহের এমন অবস্থা কী ভাবে সে মারা গেছে, ময়নাতদন্ত করে তা বোঝা যায়নি। তবে ইভানের পেটে বেনাড্রিল পাওয়া গেছে। তার মা বলেছে, স্টিফেন বাচ্চাটিকে বেশি করে নুন খাইয়ে অসুস্থ করে দিয়েছিল।

    ইভানের বাবা কার্লো ব্রিউয়ার বলেন, তিনি বার বার পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে তাঁর ছেলের উপর অত্যাচার করছে স্টিফেনরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও ছোট্ট ইভানকে বাঁচানো গেল না।

    ছবি- দ্য সান-এর সৌজন্যে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More