রবিবার, অক্টোবর ২০

সাড়ে ৩০০ কোটির ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, সাতসকালে গ্রেফতার কমল নাথের ভাগ্নে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বেশ কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ভাগ্নে রাতুল পুরিকে গ্রেফতারের চেষ্টা হচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে শেষ পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেটের জালে পড়লেন তিনি। অভিযোগ, রাতুল পুরি ব্যাঙ্ক থেকে ৩৫৪ কোটি টাকা ঠকিয়ে নিয়েছেন।

তিনি একসময় ইলেকট্রনিক সংস্থা মোসার বেয়ারের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ছিলেন। সেই সংস্থার অবস্থা এখন ভালো নয়। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত করে সিবিআই। গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ওই কোম্পানি ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ঋণ নিয়েছে। সেই অর্থ তারা অপব্যবহার করেছে। সিবিআই মোসার বেয়ারের বিরুদ্ধে মামলা এফআইআর দায়ের করেছে। সোমবার সংস্থার ছ’টি অফিসে তল্লাশিও করা হয়েছে।

এফআইআরে যাদের নাম আছে, তাঁরা হলেন সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপক পুরি ও তিন ডিরেক্টর নীতা পুরি, সঞ্জয় জৈন ও বিনীত শর্মা। মোসার বেয়ার সংস্থাটি কমপ্যাক্ট ডিস্ক, ডিভিডি ও আরও কয়েকটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরি করত।

রাতুল পুরির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে তদন্ত চলছে। কর ফাঁকি দেওয়া থেকে শুরু করে অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড চপার কেলেংকারিতে তিনি অভিযুক্ত। সোমবার ইডি দিল্লির আদালতে বলে, রাতুল পুরি গ্রেফতারি এড়াচ্ছেন। তার আগে শনিবার কমলনাথের ভাগ্নে আদালতে বলেন, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করতে হবে।

অভিযোগ, ২৬ জুলাই রাতুল পুরি তদন্তকারীদের হাত ফসকে পালিয়ে যান। তাঁকে জেরা করা হচ্ছিল। এমন সময় তিনি বলেন, টয়লেটে যেতে চান। সেখান থেকে তিনি পালিয়ে যান। তারপরে ৪৭ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ী আদালতে আর্জি জানান, তাঁকে যেন গ্রেফতার না করা হয়। গত ৬ অগাস্ট তাঁর আগাম জামিনের আবেদন নাকচ হয়ে যায়। তবে কোর্ট বলে সোমবার অবধি তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হল।

Comments are closed.