চিনের সবচেয়ে বড়লোক এবার কমিউনিস্ট পার্টিরও সদস্য

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : তিনি বিখ্যাত ই-কমার্স কোম্পানি আলিবাবা গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান। নাম জ্যাক মা।  চিনের সবচেয়ে ধনী। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনীদের অন্যতম। এবার চিনের কমিউনিস্ট পার্টিরও সদস্য হলেন। একদা শ্রমিক শ্রেণির দল বলে কথিত কমিউনিস্ট পার্টি এবার শিল্পপতিদের জন্যও দরজা খুলে দিয়েছে। জ্যাক মা এখন বিশ্বের ধনীতম কমিউনিস্ট। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৮৪০ কোটি আমেরিকান ডলার।

আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগে চিনে অর্থনৈতিক সংস্কার চালু হয়। মাও সে তুং জমানার রুদ্ধদ্বার নীতি ত্যাগ করে বেসরকারি উদ্যোগকেও স্বাগত জানানো হতে থাকে। অর্থনৈতিক সংস্কারের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মোট ১০০ জনকে সদস্যপদ দিয়ে সম্মান জানাচ্ছে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল কমিটি। তাঁদের মধ্যে জ্যাক মা বাদে আছেন টেনসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার পনি মা, বায়দু ইনকর্পোরেটেডের সিইও রবিন লি, বাস্কেটবল তারকা ইয়াও মিং এবং ভলিবল কোচ ল্যাং পেং।

চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, কমিউনিস্ট পার্টিকে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতৃত্বদায়ী ভূমিকা পালন করতে হবে। একসময় পার্টি বেসরকারি উদ্যোগকে পছন্দ করত না। কিন্তু এখন সরকারের সঙ্গে শিল্পপতিদের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। বেজিং-এর মারব্রিজ কনসালটেন্সির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্ক ন্যাটকিন বলেছেন, পার্টি সদস্য হওয়ার মানে দলের প্রতি মাথা নত করা। তারা যে দেশের বৈধ শাসক সেকথা মেনে নেওয়া। কিন্তু পার্টি করতে গেলে সবসময় যে রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশ নিতে হবে এমন নয়।

গত কয়েক বছর ধরে জ্যাক মা প্রেসিডেন্ট জিনপিং-এর নানা পদক্ষেপে সক্রিয় সমর্থন জানিয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি বলেন, দেশের মানুষের ওপরে নজরদারী চালিয়ে সরকার ঠিকই করছে। এর ফলে যে তথ্যভাণ্ডার তৈরি হবে, তা অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কাজে লাগবে।

গতবছর শি বলেছিলেন, দেশে যেভাবে অসাম্য বাড়ছে, তা উদ্বেগের কারণ। অসাম্য দূর করার সঙ্গে অর্থনীতির অগ্রগতিও হওয়া দরকার। জ্যাক মা সঙ্গে সঙ্গে বলেন, প্রেসিডেন্ট ঠিকই বলেছেন। যাঁরা ধনসম্পত্তি অর্জন করেছেন, তাঁদের উচিত অন্যদের উন্নতি করতে সাহায্য করা।

অন্য একটি প্রসঙ্গে জ্যাক মা বলেন, আমার কোম্পানিতে যাঁরা বিনিয়োগ করেন, তাঁরা আমার কাছে গুরুত্বের তালিকায় তিন নম্বরে। এক নম্বরে আছেন গ্রাহকরা। দুই নম্বরে কর্মীরা।

আলিবাবা কোম্পানির মূল্য ৪০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। তা বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০ টি কোম্পানির মধ্যে অন্যতম।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More