ছোট্ট একটা কথায় দেশের মন জিতে নিলেন ‘ভারত-পুত্র’ শিবন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: “সবার আগে আমি ভারতীয়।” এই ছোট্ট কথাটা বলেই দেশের মন জিতে নিলেন ইসরো প্রধান কে শিবন।

বরাবর প্রচারের আড়ালে থেকেই কাজ করেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। ক’জন আর তাদের নাম ধাম মনে রাখে। এবার চন্দ্রাভিযান টু পুরোপুরি সাফল্য না পেলেও প্রচারের আলোয় ইসরো। প্রচারের আলোয় ইসরো প্রধান কে শিবন। তাঁর জীবনের ছোট ছোট লড়াইও এখন আপমার ভারতবাসীর জানা। গত ক’দিনে তিনি যেন দেশের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন। এবার তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে গেল একটা ছোট্ট উক্তিতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে প্রশংসার ঝড়।

আদতে তামিলনাড়ুর বাসিন্দা কে শিবন। একটি তামিল ভাষার টিভি চ্যানেল এক সাক্ষাৎকারে সেই পরিচয় নিয়েই একটি প্রশ্ন করে। আর তার জবাবেই মন জয় করা উত্তর দেন শিবন। প্রশ্নটা ছিল, একজন তামিল হিসেবে এত বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তামিলনাড়ুর বাসি‌ন্দাদের তিনি কী বলতে চান? এর জবাবেই কে শিবনের সোজাসাপটা উত্তর– “ফার্স্ট অফ অল, আই অ্যাম অ্যান ইন্ডিয়ান।” সবার আগে আমি ভারতীয়। আর এই মন্তব্যকে ঘিরেই টুইটারে প্রশংসার ঢল নেমেছে।

ওই সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে কে শিবন আরও বলেছেন, “আমি ইসরোয় যোগ দিয়েছি একজন ভারতীয় হিসেবে। ইসরো এমন একটা জায়গা যেখানে সব ধর্ম, সব ভাষার মানুষ এক সঙ্গে কাজ করেন এবং নিজের নিজের অবদান রাখেন।”

ইসরোর মতো সংস্থায় নেতৃত্ব দেওয়া সহজ নয়। কৃষকের ঘরে জন্মগ্রহণ করে ইসরোয় স্থান পাওয়াও সহজ ছিল না কে শিবনের কাছে। এখন চন্দ্রযান উপলক্ষে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। তাঁর জন্য গর্ব করছে জন্মস্থান কন্যাকুমারী। সেখানকার শিশুদের কাছে শিবন এখন রোল মডেল। অনেক ছাত্রছাত্রী তাঁর মতো হওয়ার চেষ্টা করে। তারা বলে, শিবন আমাদের শিখিয়েছেন, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে জীবনে কিছুই অসম্ভব নয়। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই শিবনের এই বক্তব্য শুধু তামিলনাড়ু নয়, গোটা দেশের কাছেই তাঁকে প্রেরণাদাতা করে তুলবে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.