আমেরিকার ১৭ জন চরকে ধরেছি, কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ডও দেব, ঘোষণা ইরানের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজন যখন চরমে, তখন আচমকাই চাঞ্চল্যকর ঘোষণা করা হল তেহরান থেকে। সোমবার ইরানের মিডিয়ায় বলা হয়েছে, তাদের সরকার কিছুদিন আগেই আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র ১৭ জন চরকে ধরেছে। তাদের বিচারও করা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে শীঘ্র। ইরানের টিভিতে ‘স্পাইদের’ ছবিও দেওয়া হয়েছে। সিআইএ অথবা আমেরিকার প্রশাসন থেকে ইরানের এই বক্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

গত জুন মাসে ইরান দাবি করে, সিআইএ-র একটি চরচক্র তারা ধরে ফেলেছে। সোমবার তেহরান থেকে সেই চক্রের গুপ্তচরদের ধরার কথা বলেছে কিনা স্পষ্ট নয়।

গত মে মাসে ইরানের ওপরে আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমী দেশ আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। গত সপ্তাহে ইরান একটি ব্রিটিশ ট্যাঙ্কার আটক করে। তার আগে ৪ জুলাই ইরানের একটি ট্যাঙ্কার আটক করেছিল ব্রিটেন।

ইরানের গুপ্তচর মন্ত্রকের তরফে সরকারি টিভি চ্যানেলে একটি বিবৃতি পাঠ করে শোনানো হয়। তাতে বলা হয়, ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে ১৭ জন গুপ্তচরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা ইরানের অর্থনীতি, পরমাণু প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়ে গোপন তথ্য সংগ্রহ করেছিল।

এর পরে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, ধৃতদের কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার ইরানের টিভিতে সিআইএ নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। তাতে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে সিআইএ-র অফিসাররা ইরানের নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাদের গুপ্তচর হওয়ার জন্য টোপ দিচ্ছেন।

ডকুমেন্টারিতে জনৈক মহিলা বলছেন, দুবাইয়ে বহু সংখ্যক ইনটেলিজেন্স অফিসার আছেন। সেজন্যই জায়গাটা অত বিপজ্জনক। সেই মহিলা ফারসি ভাষায় কথা বলছিলেন। কিন্তু তাঁর কথায় ছিল আমেরিকান অ্যাকসেন্ট।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More