লকডাউনেও জিতল বিরিয়ানি, দেশে বিক্রি হল লাখো লাখো প্লেট

সুইগি জানিয়েছে, এপ্রিল ও মে মাসে খুবই কম অর্ডার মিলেছে। করোনা পরিস্থিতির আগে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ অর্ডার পেত সুইগি। সেটা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যায় লকডাউনের সময়ে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরিয়ানি ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। এনিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। দেশের সব রাজ্যেই কমবেশি জনপ্রিয় বিরিয়ানি। লকডাউনের সময়েও গোটা দেশে সুইগির মাধ্যমে খাবার বিক্রির নিরিখে সেরার তকমা পেল বিরিয়ানিই। গত তিন মাসে সুইগির মাধ্যমে মোট সাড়ে পাঁচ লাখ প্লেট বিরিয়ানি অর্ডার হয়েছে। এর পরেই রয়েছে বাটার নান আর তিন নম্বরে মসলা ধোসা। সুইগিতে অর্ডার যথাক্রমে ৩,৩৫,১৮৫ এবং ৩,৩১,৪২৩টি।

আরও পড়ুন

রাফালের সঙ্গেই ফ্রান্স থেকে আসছে হ্যামার মিসাইল সিস্টেম, চিনের মোকাবিলায় শক্তি আরও বাড়ছে ভারতীয় বায়ুসেনার

সেই মার্চ মাস থেকেই কার্যত ঘরবন্দি ভারতীয়রা। এর আবার একটা বড় সময়ে কোনও রান্না করা খাবারই অর্ডার করা যায়নি। আনলক পর্বে রেস্তোরাঁ খোলার অনুমতি মিললেও বসে খাওয়ার ব্যবস্থা বেশির ভাগ জায়গাতেই সেভাবে চালু হয়নি। এই সময়ে হোম ডেলিভারিতে মোট চার কোটি অর্ডার পেয়েছে সুইগি। শুধু খাবার নয়, এর মধ্যে মুদিখানার সামগ্রী থেকে ওষুধ, স্যানিটাইজার সবই রয়েছে। লকডাউনের সময়ে দেশে কোন জিনিসের কেমন চাহিদা ছিল তার এক হিসেব দিয়েছে সুইগি।

সংস্থা জানিয়েছে, লকডাউনের সময়ে দেশের ৩০০ শহরে পরিষেবা দিয়েছে সুইগি। স্থানীয় খুচরো বিক্রেতা এবং বিভিন্ন এফএমসিজি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে গৃহস্থলীর নানা সামগ্রীও সরবরাহ করেছে সুইগি। সংস্থার দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত তিন মাসে মোট ৭৩ হাজার বোতল স্যানিটাইজার ও হ্যান্ড ওয়াশ বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ৪৭ হাজার মাস্কও সরবরাহ করা হয়েছে।

লকডাউনের সময়ে যে, মানুষ বাড়িতে বেশি বেশি রান্না করেছে তার প্রমাণ হল এই সময়ে ৩২.৩ কোটি কেজি পেঁয়াজ সরবরাহ করেছে সুইগি। ইনস্ট্যান্ট নুডুলসের অর্ডার ছিল সাড়ে তিন লাখ প্যাকেট। আর ২১ হাজার রেডি টু কুক মিল। এছাড়াও কলা বিক্রি হয়েছে ৫ কোটি ৬০ লক্ষ কেজি।

সুইগি জানিয়েছে, এপ্রিল ও মে মাসে খুবই কম অর্ডার মিলেছে। করোনা পরিস্থিতির আগে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ অর্ডার পেত সুইগি। সেটা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যায় লকডাউনের সময়ে। ফের তা বাড়তে শুরু করে আনলক পর্বে। এখন সংস্থার রেস্তোরাঁর খাবার সরবরাহ ৭০ শতাংশে ফিরেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More