এক্সপ্রেস ট্রেনে শুকনো লঙ্কা যাবে বাংলাদেশে, লকডাউনে নতুন উদ্যোগ ভারতীয় রেলের

অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর সহ আশপাশের এলাকা বরাবরই শুকনো লঙ্কা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র। গুণগত মান এবং পরিমাণ দুইই বেশি এই এলাকার। স্বাদে ভাল ওই শুকনো লঙ্কা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তো বটেই সেই সঙ্গে রফতানিও হয়। তবে এতদিন এই লঙ্কা পাঠানো হত সড়ক পথেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই প্রথমবার এক্সপ্রেস ট্রেনে করে যাবে শুকনো লঙ্কা। অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর থেকে শুকনো লঙ্কা নিয়ে বেনাপোলের দিকে রওনা দেবে বিশেষ ট্রেন। রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল টুইট করে জানিয়েছেন, “ভারতীয় সীমানা পার করে এই প্রথম শুকনো লঙ্কা নিয়ে ট্রেন যাবে বাংলাদেশের উদ্দেশে।”

অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর সহ আশপাশের এলাকা বরাবরই শুকনো লঙ্কা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র। গুণগত মান এবং পরিমাণ দুইই বেশি এই এলাকার। স্বাদে ভাল ওই শুকনো লঙ্কা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তো বটেই সেই সঙ্গে রফতানিও হয়। তবে এতদিন এই লঙ্কা পাঠানো হত সড়ক পথেই। আর তার জন্য প্রতি টন শুকনো লঙ্কায় খরচ হত ৭ হাজার টাকা। আর লকডাউনের সময়ে সড়ক পথেও পরিবহণ সম্ভব হয়নি। এর ফলে এই এলাকার শুকনো লঙ্কার ব্যবসায় অনেক ক্ষতিও হয়। এর পরে রেল সেই ব্যবসাকে চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিল। এত প্রতি টনে খরচও কম পড়বে।

আরও পড়ুন

মানবদেহে এই প্রথম সফল হয়েছে কোভিড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল, দাবি রাশিয়ার! আশার আলো বেশ উজ্জ্বল

তবে অল্প পরিমাণে পণ্য রেল পথে পাঠানো যায় না। পণ্যবাহী ট্রেনে শুকনো লঙ্কা পাঠাতে হলে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রতিবার কমপক্ষে দেড় হাজার টন করে পাঠাতে হবে। তাই রেল পণ্যবাহী ট্রেনের বদলে স্পেশাল পার্সেল এক্সপ্রেস ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। যাতে করে বাংলাদেশে ৫০০ টন করেও প্রতিবার শুকনো লঙ্কা পাঠানো যাবে। রেল জানিয়েছে, ১৬টি পার্সেল ভ্যান প্রথমবার যাত্রা করছে। এই সুবিধা স্থানীয় কৃষকদের পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বড় সুযোগ করে দেবে বলে দাবি রেলের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More