সেনার জন্য ভারতেই তৈরি হবে সুইস ছোরা, জানুন শত্রুকে ঘায়েল করতে কেমন এই অস্ত্র

হাতাহাতি লড়াই অর্থাৎ সামরিক ভাষায় ক্লোজ কম‌ব্যাটের সময়ে এই ছোরা অত্যন্ত উপযোগী। এই ছোরা মাইনাস ২০ ডিগ্রি থেকে শুরু করে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতেই সমানভাবে কার্যকর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: আত্মনির্ভর হবে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই ঘোষণা করেছেন যে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও দেশ ক্রমশ স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। আর সেই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্বেই সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিপুল জনপ্রিয় ‘সুইস ছোরা’ (সুইস আর্মি নাইফ) ভারতেই তৈরি হবে এবার। সুইস ছোড়ার সেই দেশীয় সংস্করণ ভারতীয় সেনা জওয়ান ও অফিসারদের হাতে দেখা যাবে খুব তাড়াতাড়ি। ভারতীয় সেনার পদাতিক বাহিনীর জন্য এই ছোরা কিনতে খুব শীঘ্রই বরাত ডাকতে চলেছে সেনা।

    কেমন এই সুইস ছোরা? মাল্টি পারপাস এই ছোরায় থাকে একটা ডেটোনেটর ক্রিম্পার, একটা ওয়্যার কাটার, একটি বটল ওপেনার এবং একটি ব্লেড। হাতাহাতি লড়াই অর্থাৎ সামরিক ভাষায় ক্লোজ কম‌ব্যাটের সময়ে এই ছোরা অত্যন্ত উপযোগী। এই ছোরা মাইনাস ২০ ডিগ্রি থেকে শুরু করে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতেই সমানভাবে কার্যকর। সব দেশেই সেনা এটা ব্যবহার করে। ভারত এতদিন এই ছোরা আমদানি করত কিন্তু এবার দেশেই তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন

    বেসরকারি বাস না চললে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেব, বাসগুলি সরকার নিজে চালাবে: মুখ্যমন্ত্রী

    এই ছোরায় বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। যেমন, তাতে থাকে ইউনিভার্সাল ডেটোনেটর ক্রিম্পার। থাকবে একটি লম্বা ‘নোজ প্লায়ার’। যার মাধ্যমে ১৪ মিমি পর্যন্ত মাপের নাটবল্টু লাগানো বা খোলা যাবে। আসলে এভাবেই ডেটোনেটারকে অকার্যকর করা হয়। এছাড়া, এই ছোরা এমন হতে হবে যাতে সহজেই তা দিয়ে ১২ গেজের ধাতব তার ও ১২ থেকে ২৪ গেজের বৈদ্যুতিন তার সহজে ও নিরাপদে কেটে ফেলা যায়। ছোরার ডগাও হবে বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত। এমন হবে যা স্ক্রু লাগাতে বা সরাতে সক্ষম হয়।

    প্রতীকী ছবি।

    এটুকুই নয়। এই ছোরার আরও কাজ রয়েছে। এই ছোরাতে থাকতে হবে একটি কাঠ কাটার করাত। যা দিয়ে সহজেই ২৫ মিলি পর্যন্ত পুরু কাঠ, ১০ মিলি পুরু প্লাস্টিক, ২৬ গেজের অ্যালুমিনিয়াম ও ২২ গেজের ধাতব টিউব কেটে ফেলা যায়। আসলে যুদ্ধ ক্ষেত্রে সবরকমের প্রয়োজনের জন্যই তৈরি রাখে এই ছোরা। আরও আছে। ছোরার সঙ্গেই থাকে একটি পৃথক ক্যান ও বোতল ওপেনার। যা দিয়ে জওয়ানরা ক্যান-জাত খাবার বা সোডা বোতল খুলতে পারেন। প্রত্যেকটি জিনিসকে যাতে আলাদা আলাদা ভাবে খোলা যায় তার ব্যবস্থাও থেকে এই ছোরায়। আরও একটা বিষয় নিশ্চিত করা থাকে এই সুইস ছোরায়। এটা ব্যবহার করার সময়ে ঝুঁকি কম। মানে ব্যবহারকারীর ক্ষতি বা আঘাত না লাগার ব্যবস্থা থাকে। তার জন্য অটোমেটিক লকিং ব্যবস্থা থাকে।

    এই ছোরার রংয়েও রয়েছে বিশেষ বৈষিষ্ট্য। ছোরা এমন রঙের হবে যাতে শত্রু তা সহজে দেখতে না পায়। কালো বা সামরিক সবুজ রঙ এমন ভাবে থাকবে যাতে বিপক্ষের থেকে আড়াল বা ক্যামেফ্লেজ করা যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More