জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাক কোয়াডকপ্টার গুলি করে নামাল ভারতীয় সেনা

৪৩১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্ত বরাবর পাক সেনাবাহিনীর কোয়াডকপ্টার গুলি করে নামিয়েছেন কর্তব্যরত জওয়ানরা। জম্মু ও কাশ্মীরের কেরান সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শনিবার এই ড্রোন-কপ্টার গুলি করে নামানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই কোয়াডকপ্টার সকাল ৮টা নাগাদ কেরান সেক্টরে সীমান্ত রেখা বরাবর নজরে এসেছিল নিরাপত্তারক্ষীদের। সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে গুলি করে নামানো হয়। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, এই কোয়াডকপ্টারটি চিনা কোম্পনি ডিজেআই নির্মিত ‘ম্যাভিক-২ প্রো’ মডেলের।

আপাতত ওই ড্রোন-কপ্টারটি খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে সেনাবাহিনীর অনুমান, সম্ভবত ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর নজরদারি চালাতেই এই অত্যাধুনিক কোয়াডকপ্টারটি পাঠানো হয়েছে। পাক সীমান্তের দিক থেকেই আজ সকালে উড়ে এসেছে এই ড্রোন-কপ্টার। ঠিক কী কারণে এমন অত্যাধুনিক ড্রোন-কপ্টার পাঠিয়েছে পাকিস্তান সে ব্যাপারে বিশদে জানতে ছানবিন শুরু করেছেন সেনা কর্তারা। কেরান সেক্টরে সীমান্ত এলাকায় আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। চলছে কড়া নজরাদারি। সজাগ রয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

এর আগে গত জুন মাসে জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার কাছে আন্তর্জাতিক সীমানা বরাবর একটি পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছিল বিএসএফ। কাঠুয়া জেলার হিরানগর সেক্টরের কাছে রাঠুয়া এলাকায় ওই ড্রোন দেখা গিয়েছিল। সেই সময় সেখানে বিএসএফ-এর গাড়ি টহল দিচ্ছিল। তখনই জওয়ানদের নজরে আসে এই ড্রোন। তৎক্ষণাৎ সেটিকে গুলি করে নামানো হয়। ভারতের ভূখণ্ডে প্রায় ২৫০ মিটার ঢুকে পড়েছিল ওই পাক ড্রোন। প্রায় ৯ রাউন্ড গুলি করে সেটিকে নামানো হয় বলে জানান বিএসএফের জওয়ানরা।

ওই ড্রোন থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র। আমেরিকার প্রযুক্তিতে তৈরি এম-৪ রাইফেল, দুটো ম্যাগাজিন ছাড়াও উদ্ধার হয় আরও কিছু অস্ত্র। বিএসএফ জানায়, আলি ভাই নামে কোনও জঙ্গির জন্য এই অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো হয়েছিল। কাঠুয়া জেলার হিরানগর সেক্টরের উল্টো প্রান্তে রয়েছে পানেসর সেক্টর। সেখানকার পাক পিকেট বা পাকিস্তানি ঘাঁটি থেকেই এই ৮ ফুট চওড়া ড্রোন পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে অনুমান করেন বিএসএফের আধিকারিকরা। মূলত পাক সেনাবাহিনী এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করে বলে জানিয়েছিল বিএসএফ। সে বার এই ড্রোন গুলি করে নামানো রপর সেনা আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, সাধারণত ভারতীয় সেনাঘাঁটির খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতেই আন্তর্জাতিক সীমানা পার করে ওই ড্রোন পাঠানো হয়। এছাড়াও জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্রশস্ত্র পাঠানোর ক্ষেত্রেও এই ড্রোন ব্যবহার করা হয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More