বিদেশি ব্যাঙ্কের জন্য সিকিওরিটি ফিজ কমাক ভারত, এদেশে শাখা খুলতে চেয়ে আর্জি ঢাকা ব্যাঙ্কের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে তাদের শাখা খোলার জন্য আগামী বছরই আবেদন করতে চলেছে বাংলাদেশের ঢাকা ব্যাঙ্ক। বণিকসভা বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ও সেন্টার ফর ইস্ট অ্যান্ড নর্থ–ইস্ট রিজিওনাল স্টাডিজ, কলকাতা আয়োজিত ‘ইস্টার্ন ইউনিয়ন’ শীর্ষক আলোচনার শেষে একথা জানান ঢাকা ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমরানুল হক। বাংলাদেশের ৪২টি বেসরকারি ব্যাঙ্কের তালিকায় ঢাকা ব্যাঙ্ক প্রথম দশের মধ্যে বলে তিনি দাবি করেছেন।

ভারতে কোনও বিদেশি ব্যাঙ্ক ব্যবসা চালু করতে গেলে এই মুহূর্তে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জমা করতে হয় যা বাংলাদেশি ২০০ কোটি টাকা বা ভারতীয় পৌনে দুশো কোটি টাকার সমান। এই অর্থ ভারত কমাক, চাইছেন এমনারুল হক। তিনি মনে করেন, “টাকার এই অঙ্ক কমালে অনেক ব্যাঙ্কই ভারতে ব্যাঙ্ক ব্যবসা চালু করার ব্যাপারে আগ্রহী হবে।”

বছর দশেক আগেও যেখানে দিনে দুটি থেকে তিনটি উড়ান ছিল কলকাতা ও বাংলাদেশের মধ্যে এখন সেখানে দৈনিক উড়ানের সংখ্যা বেড়ে পনেরোটি হয়েছে। কলকাতা থেকে কার্যত আধ ঘণ্টা অন্তর বাংলাদেশগামী বাসও যাচ্ছে। সেদেশ থেকে ভারতে নিয়মিত ভাবে চিকিৎসা, ব্যবসা ও পর্যটনের জন্য মূলত কলকাতাতেই আসেন বাংলাদেশিরা। তাই কলকাতায় তাঁরা ব্যবসা শুরু করতে চান। সোনালি ব্যাঙ্ক-সহ মোট দু’টি বাংলাদেশি ব্যাঙ্কের ব্যবসা রয়েছে ভারতে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্য কাছে বলে সেখানে বাংলাদেশ থেকে আনা পণ্য সস্তা দরে পাওয়া যায়। তাই পরে তাঁরা উত্তর-পূর্ব ভারতে ঢাকা ব্যাঙ্কের শাখা ছড়িয়ে দিতে চান বলে জানিয়েছেন হক। আগামী অর্থবর্ষেই দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে তাঁরা আবেদন করবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

পশ্চিম আফ্রিকার কযেকটি দেশে (সিএফএ ফ্রাঁ) ও ইউরোপের একাংশের মতো সার্ক-সহ এশিয়ার একাংশে অভিন্ন মুদ্রা চালুর ব্যাপারেও সওয়াল করেছেন হক। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কাসহ ন’টি দেশে অভিন্ন মুদ্রা চালু হয়েছে, তবে সেটি বড় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। বাস্তবে এমন কোনও মুদ্রা বাজারে চালু হয়নি তবে দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের (যেমন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া) মধ্যে সরাসরি অর্থ লেনদেন হয়, এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের কোনও ভূমিকা থাকে না বললেই চলে।

হক মনে করেন খোলা বাজারে ইউরো বা সিএফএ ফ্রাঁর মতো মুদ্রা চালু করা এখনই সম্ভব নয়, কারণ ইস্টার্ন ইউনিয়ন বলতে যে ভৌগোলিক অঞ্চল বোঝানো হচ্ছে সেই অঞ্চলের দেশগুলির অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More