চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত একা নয়, ঘোষণা মার্কিন বিদেশ সচিবের

৫৬৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শ কত বিপজ্জনক, তা এখন বুঝতে পারছে সারা বিশ্ব। মঙ্গলবার এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইকেল আর পম্পিও। তিনি বলেন, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত যেন নিজেকে একা না মনে করে। গত সোমবার দিল্লিতে এসেছিলেন পম্পিও। সঙ্গে ছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক টি এসপার। পম্পিও বলেন, ‘চিনের কমিউনিস্ট পার্টি’-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের পাশে আছে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।

মার্কিন বিদেশ সচিবের কথায়, “আমি লক্ষ করছি, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গভীরতর হচ্ছে। এই চারটি দেশই গণতান্ত্রিক। তাদের অর্থনীতির বহরও যথেষ্ট বড়। আমরা আইনের শাসন ও স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। চারটি দেশের মধ্যে যদি এমন গভীর সম্পর্ক থাকে, তাহলে বিপদের সময় কেউ একা হবে না।”

ট্রাম্প প্রশাসনের দু’নম্বর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি পম্পিও বলেন, উইঘুর মুসলিমদের প্রতি চিন যা করেছে, তা বিংশ শতকের তিনের দশকে ইহুদিদের ওপরে নাৎসিদের অত্যাচারের কথা মনে করিয়ে দেয়।

পম্পিও-র বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য একটি দিক হল, তিনি বারবার চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলছেন। সরাসরি চিনের সঙ্গে লড়াইয়ের কথা বলেননি। মার্কিন বিদেশ সচিব স্পষ্ট বলেন, মার্কসবাদ-লেনিনবাদের অনুসারী চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াই। তাঁরা চিনের জনগণের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন না। তাঁর কথায়, “চিনের কমিউনিস্ট পার্টি সব জায়গায় নিজেদের প্রভুত্ব ফলাতে চেষ্টা করে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটায়। সুযোগ পেলেই কোনও অঞ্চলকে শোষণ করে।”

চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর সমালোচনা করেন পম্পিও। তিনি বলেন, “রাস্তা বানানোর নাম করে চিন অন্য দেশে নিজের প্রভাব খাটাতে চায়। বহুকাল ধরেই চিন কোনও কোনও দেশকে নিজের উপনিবেশ ভাবে। এই প্রবণতা বিপজ্জনক। আমি নিশ্চিত যে, আমেরিকা, ভারত ও অন্যান্য স্বাধীনতাপ্রিয় দেশ চিনের এই উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেবে। তার ফলে বিশ্ব হয়ে উঠবে আরও নিরাপদ ও স্থিতিশীল।”

লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন বিরোধের কথাও উল্লেখ করেন পম্পিও। তাঁর মতে চিনের জন্য বিশ্ব জুড়ে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ভারত তার উত্তর সীমান্তে চিনকে নিয়ে সমস্যায় পড়েছে। চিন থেকে যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, তার কথা সেদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সময়মতো অন্যান্য দেশকে জানায়নি। তার ফলে চরম দুর্গতি হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More