কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে মঙ্গলবার ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর জন্য তৈরি হচ্ছে পাকিস্তান

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবারই জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকারের কথা তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। এরপর মঙ্গলবার জেনিভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের সদর দফতরে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তর্কযুদ্ধ হবে ভারতের। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশি সোমবারই সুইজারল্যান্ডে রওনা হয়েছেন। তাঁর আগে টুইটে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের ৪২ তম অধিবেশনে পাকিস্তান খুব নির্দিষ্ট করে কাশ্মীরে অত্যাচারের কথা জানাবে।

    জেনিভার স্থানীয় সময় অনুযায়ী দুপুরে কুরেশি কাশ্মীর নিয়ে বক্তব্য পেশ করবেন। গত ৫ অগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ করা হয়। একইসঙ্গে রাজ্যটিকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিল্লি। তাঁর পরে কাশ্মীরে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়েই কুরেশি ভাষণ দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    কুরেশি সোমবার টুইট করার পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রতিনিধিরাও বিবৃতি দেন। তাঁরা বলেন, পাকিস্তান কোনও অভিযোগ করলে তাঁদেরও জবাব দেওয়ার অধিকার আছে। জেনিভায় ভারতের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিদেশ মন্ত্রকের এক সচিব। দলে থাকছেন অজয় বিসারিয়া। তিনি কিছুদিন আগেও ইসলামাবাদে ভারতের হাইকমিশনার ছিলেন। ভারত স্থির করেছে, জেনিভায় কোনও মন্ত্রীকে পাঠাবে না। পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যতই হইচই করুক, তাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে না।

    সোমবার রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদ কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের হাই কমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস মিশেল ব্যাচিলেট বলেছেন, কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবার ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় রাজনীতিক ও সমাজকর্মীদের বনব্দি করে রাখা হয়েছে।

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানেরও নাম উল্লেখ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।

    মিশেল বলেন, আমি ভারত ও পাকিস্তান সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, মানবাধিকারকে সম্মান জানানো হোক। মানবাধিকার রক্ষা করা হোক। আমি বিশেষত ভারতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, কাশ্মীরে কড়াকড়ি ও কার্ফু শিথিল করা হোক। মানুষকে মৌলিক পরিষেবাগুলি দেওয়া হোক। যাঁরা আটক রয়েছেন, তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হোক। কাশ্মীরের জনগণের ভবিষ্যতের ওপরে প্রভাব পড়তে পারে এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More