বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

কর্ণাটকে বুধবারই সরকার গঠনের দাবি জানাবে বিজেপি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শাসক জোটের পক্ষে ৯৯। বিজেপির পক্ষে ১০৫। মঙ্গলবার রাত আটটায় কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোটে পড়ে গিয়েছে এইচ ডি কুমারস্বামীর সরকার। বুধবারই বিজেপি সরকার গঠনের দাবি জানাতে চলেছে। ৭৬ বছর বয়সী ‘লিঙ্গায়েত স্ট্রংম্যান’ বি এস ইয়েদুরাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে এই নিয়ে তিনি চারবার দক্ষিণের ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে কুমারস্বামীর ইস্তফা গ্রহণ করেছেন রাজ্যপাল বাজুভাই বালা। তিনি তদারকি সরকার হিসাবে কুমারস্বামীকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।

২২৫ সদস্যের কর্ণাটক বিধানসভায় এখন বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তাদের পক্ষে আছেন ১০৫ জন বিধায়ক। ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলার পর যাবেন রাজ্যপালের কাছে। সরকার গড়ার দাবি জানাবেন।

মঙ্গলবার রাতে ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, আমরা আপাতত পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছি। প্রবীণ বিজেপি নেতা আর অশোকা জানিয়েছেন, আমরা বুধবারই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে পরবর্তী সরকার গঠনের দাবি জানাব। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, আমরা আগে দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী সরকার গঠিত হবে।

লোকসভার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক পি ডি টি আচার্য বলেন, বিজেপিকে বিধানসভায় গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। এখনও পর্যন্ত তাদের গরিষ্ঠতা নেই। তিনি বলতে চেয়েছেন, কর্ণাটক বিধানসভায় কোনও দল ১১৩ আসন পেলে তবেই সরকার গড়ার মতো গরিষ্ঠতা লাভ করবে। কিন্তু বিজেপির এখনও আট জন বিধায়ক কম আছে।

সপ্তাহ দু’ইয়েক আগে কর্ণাটকে ১৫ জন বিধায়ক স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তারপরেই রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়। স্পিকার কে রমেশ কুমার তাঁদের ইস্তফা গ্রহণ করেননি। সরকার পড়ে যাওয়ার পরে তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটবে, তাঁরা বিধায়ক থাকবেন কিনা, তা এখনও অনিশ্চিত।

কংগ্রেসের ১৩ জন ও জেডি এসের দু’জন বিধায়ক পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। স্পিকার তা গ্রহণ না করায় তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শীর্ষ আদালত এখনও তার মতামত জানায়নি। দুই নির্দল বিধায়কও সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জা%E

Comments are closed.