শুক্রবার, নভেম্বর ১৫

ভারতকে রাজকোষ ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে, বললেন আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : চলতি আর্থিক বছরে ভারত সরকারের রাজস্ব আদায় আশানুরূপ হবে বলেই মনে হয়। কিন্তু রাজকোষ ঘাটতি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বেঁধে না রাখলে বিপদ। ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করলেন আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ। আর্থিক সংকট কাটানোর জন্য অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তার প্রশংসা করেছেন গোপীনাথ।

আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা আইএমএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৮ সালে দেশের আর্থিক বিকাশের হার ছিল ৬.৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে তা কমে হয়েছে ৬.১ শতাংশ। আশা করা যায়, ২০২০ সালে বিকাশের হার বেড়ে হবে সাত শতাংশ। নির্মলা সীতারমনের প্রশংসা করার পর তিনি বলেন, ভারতের অর্থমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা দেশের আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পক্ষে যথেষ্ট নয়। আরও অনেক কিছু করতে হবে। আইএমএফের রিসার্চ ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর গিয়ান মারিয়া মিলেসি ফেরেট্টি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষিতে বলা যায়, ভারতে সামগ্রিকভাবে বিকাশ হচ্ছে যথেষ্ট। যদিও আগে ভারতের অর্থনীতি যে হারে বিকশিত হত, এখন বিকাশের হার তার চেয়ে কম।

একইসঙ্গে ফেরেট্টি বলেন, সাধারণভাবে ভারতে অর্থনৈতিক বিকাশের হার ছয় শতাংশের ওপরে। সেই দেশের জনসংখ্যা খুবই বেশি। সেখানে বিকাশের এই হার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি করছাড় দেওয়ার ফলে আগামী বছরে বিকাশের হার আরও বাড়বে।

Comments are closed.