ডিসেম্বরে আইসিসি চেয়ারম্যান পদে কে? সৌরভরা পাঠাতে পারেন শ্রীনিবাসনের নাম

২১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রায় একবছর হতে চলল আইসিসি চেয়ারম্যান পদ ফাঁকা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি শশাঙ্ক মনোহর পদত্যাগ করার পর থেকে সেই স্থানে কেউ নেই। কিন্তু ডিসেম্বরে সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে কাউকে বসাতেই হবে।

সম্প্রতি আইসিসি বোর্ড অব ডিরেক্টরসরা একটি ভিডিও কনফারেন্স করেছেন নিজেদের মাধ্যমে। সেখানে বিসিসিআই-রও প্রতিনিধি ছিল। সেই বৈঠকে বলে দেওয়া হয়েছে আগামী ১৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিটি ক্রিকেট খেলিয়ে সংস্থা চেয়ারম্যান পদের জন্য তাদের সংস্থা থেকে বাছাই করা প্রতিনিধির নাম পাঠাতে পারবে।

এ নিয়ে বেশ কয়েকবার আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়ে গেলেও নির্দিষ্ট কারও সম্পর্কে কেউ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি, এ কারণে আইসিসির চেয়ারম্যান পদেও নতুন কাউকে নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। আইসিসি-র প্রেস বিবৃতিতে বলে দেওয়া হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচন করা হবে নতুন চেয়ারম্যানকে।

তবে এ জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম আইসিসিতে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য সদস্য দেশগুলোকে জানিয়েছে আইসিসি। বর্তমান বোর্ড (আইসিসির) ডিরেক্টরদের মধ্য থেকেই নাম প্রস্তাব করতে হবে। যদিও আইসিসি জানায়নি, কোন পদ্ধতিতে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। পুরো বিষয়টির নেতৃত্ব দিচ্ছেন আইসিসি-র স্বাধীন অডিট কমিটির একজন চেয়ারম্যান।

ভারতীয় বোর্ডের অন্দরমহলে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তিনটি নাম আলোচনায় আসছে এই পদের জন্য। এক, সৌরভ গাঙ্গুলি, তিনি বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট, তিনি আইসিসি-র বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সদস্যও।

দ্বিতীয় নাম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের পুত্র জয় শাহ, তিনি বোর্ড সচিব পদে রয়েছেন। জয়ের বিষয়ে পাল্লা ভারি রয়েছে। কেননা সৌরভের মতো হেভিওয়েট ব্যক্তি আইসিসি চেয়ারম্যান নন, হলে তাঁকে করা হবে আইসিসি প্রেসিডেন্ট। তিনিও ওই পদে যেতে চাইবেন না।

আবার এও ঠিক, সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের কতদিন কাজ চালাতে দেবে, সেটিও একটি বিষয়। কারণ সৌরভদের আট মাসের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কোর্ট এখনও কোনও কিছুই জানায়নি। সেটি নিয়ে তাঁরা চিন্তিত। আচমকা তাঁদের নাম পাঠানো হলে আইনি সমস্যা হতে পারে, এটিও ভেবে দেখছে বোর্ড।

সেই জন্যই তৃতীয় নামটি বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে বোর্ডের কর্তাদের। তিনি অবশ্য শাসকগোষ্ঠীর কেউ নন, তিনি বোর্ডের বিরোধী কর্তা এন শ্রীনিবাসন। বিসিসিআই থেকে তাঁর নাম পাঠিয়ে তাঁকে পরোক্ষে পুরস্কার দেওয়া গেল, আবার বোর্ডের কাছেও টেনে নেওয়া গেল। এই অঙ্কে তাঁর নাম পাঠানো হতে পারে। বোর্ডের এক কর্তাও দিল্লি থেকে বললেন, শ্রীনিকে করা হলে সবচেয়ে সুবিধে। ভারতের একজন প্রতিনিধিও থাকল আইসিসি-তে, আবার বোর্ডের বিরুদ্ধে তাঁর যে ক্ষোভ, সেটিও প্রশমিত হয়ে যাবে এই ঘটনায়।

তার থেকে বড় কথা, লোধা আইনের বয়সের বিষয়টি আইসিসি-তে প্রযোজ্য নয়, সেটি বিসিসিআই-ত শুধু কার্যকর। সেক্ষেত্রে শ্রীনিবাসনের মতো বর্ষিয়ান কর্তা হলে ভারতের লাভও হবে। তিনি আইসিসি-র প্রাক্তন বোর্ড অব ডিরেক্টরসদের অন্যতম, তাই তাঁর নির্বাচন আটকাবে না।

এখন শ্রীনিবাসন এই প্রস্তাবে রাজি হন কিনা, সেটিও দেখার। না হলে বিসিসিআই সচিবের নাম পাঠানোর সম্ভাবনা বেশি। এমনিতেই শশাঙ্ক মনোহর থাকাকালীন ভারত কোনও সুবিধে পায়নি আইসিসি থেকে, এবার যাতে সেটি না হয়, তাও ভেবে দেখছেন সৌরভরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More