আপনার স্বামীর মৃত্যুতে সমব্যথী! জেটলি-পত্নী সঙ্গীতাকে চিঠি লিখলেন সনিয়া, কাঁদলেন জড়িয়ে ধরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রবল রাজনৈতিক বিরোধিতায় এক সময়ে কথা পর্যন্ত বন্ধ ছিল তাঁদের। কিন্তু মৃত্যুর পরে ভেঙেচুরে গেল সমস্ত বিরোধিতা। সৌজন্য ও সহমর্মিতায় উজ্জ্বল হয়ে উঠল রাজনীতির অঙ্গন। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির মৃত্যুতে কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীর শোকপ্রকাশের পরে এমনটাই বলছেন অনেকে।

    বিজেপি-কংগ্রেসের উত্তাপ যখন চরমে, তখন সনিয়ার সঙ্গে তেমন কথা হত না জেটলির। কিন্তু জেটলি অসুস্থ হওয়ার পরে নিয়মিত তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতাকে ফোন করে খোঁজখবর নিতেন সনিয়া। শনিবার জেটলির মৃত্যুর পরে তাঁর বাসভবনে এসে সঙ্গীতা জেটলিকে দেখেই জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন সনিয়া।

    শুধু তা-ই নয়, সঙ্গীতাকে একটি চিঠিও লিখেছেন সনিয়া। জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা যা-ই থাক, সকল মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন জেটলি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অসুখের সঙ্গে লড়েছেন তিনি। সনিয়া সঙ্গীতাকে লেখেন, “আপনার স্বামীর মৃত্যুতে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। কঠিন লড়াইয়ের পরেও বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলেন উনি। …ওঁর ক্ষুরধার বুদ্ধি এবং জনসংযোগ ক্ষমতা শেখার মতো ছিল। রাজ্যসভার বিরোধী সদস্য হিসেবে হোন বা সুপ্রিম কোর্টের দুঁদে আইনজীবী– সব জায়গাতেই অরুণ জেটলির ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।”

    সনিয়া আরও লেখেন, “ওঁর আত্মা শান্তি পাক। আমি আপনার ও আপনার ছেলেমেয়েদের এই কষ্টের সমব্যথী।”

    রবিবার দুপুরে নিগমবোধ ঘাটে প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির শেষকৃত্য সারা হবে বলে জানানো হয়েছে জেটলির পরিবারের তরফ থেকে। শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ এইমস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৬৬ বছরের অরুণ জেটলি। রবিবার সেখান থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জেটলির বাসভবন কৈলাস কলোনিতে। তার পরে বিজেপি সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন সকলে। বিজেপি কার্যালয় থেকে দুপুর আড়াইটে নাগাদ জেটলির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে নিগমবোধ ঘাটে।

    কিডনির রোগে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  অরুণ জেটলি। চলতি মাসের ৯ তারিখে অসুস্থ হয়ে পড়ে এইমসে ভর্তি ছিলেন তিনি। শেষ কিছু দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শনিবার শেষ হয় লড়াই। শুধু প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীই নন, মোদীর সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বও এক সময়ে সামলেছিলেন এই অরুণ জেটলি। বাজেপির জমানায় তিনি ছিলেন তথ্য সম্প্রচার, আইন ও কোম্পানি বিষয়ক বাণিজ্যমন্ত্রী৷

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More