শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

বন্ধু জেটলির প্রয়াণে বিদেশের মঞ্চে আবেগপ্রবণ প্রধানমন্ত্রী, দিল্লিতে শেষকৃত্য আজ দুপুরে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার দুপুরে নিগমবোধ ঘাটে প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির শেষকৃত্য সারা হবে বলে জানানো হল পরিবারের তরফ থেকে।

শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ এইমস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৬৬ বছরের অরুণ জেটলি। রবিবার সেখান থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জেটলির বাসভবন কৈলাস কলোনিতে। তার পরে বিজেপি সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন সকলে। বিজেপি কার্যালয় থেকে দুপুর আড়াইটে নাগাদ জেটলির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে নিগমবোধ ঘাটে।

বিজেপি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাহরাইন থেকে টেলিফোনে জেটলির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁর শোকবার্তা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এখন দু’দিনের সফরে বাহরাইন গিয়েছেন। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে অরুণ জেটলির স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। জানান, ‘বন্ধু’কে হারিয়ে শোকার্ত তিনি।

বাহরাইনে প্রায় ১৫ হাজার ভারতীয় বাসিন্দার একটি জমায়েতে বক্তৃতা করার সময়ে তিনি বলেন, “আমি কর্তব্যের কাছে বাঁধা পড়ে রয়েছি। এখন, বাহরাইনে যখন উৎসবের মরসুম, আমি তখন এক গভীর দুঃখে ডুবে রয়েছি। যে বন্ধুর সঙ্গে আমি এতটা পথ হেঁটেছি, যে বন্ধুর সঙ্গে রাজনীতি করলাম এত বছর, আমার স্বপ্ন দেখা, লড়াই করা, স্বপ্নপূরণ করা– এই সবটুকু যিনি জানতেন, সেই বন্ধু অরুণ জেটলি চলে গেলেন আজ।”

দেখুন, কী বলেছেন মোদী।

এমন দুঃখের সময়ে তিনি যে দেশে নেই, সেই আক্ষেপও প্রকাশ করেন মোদী। উল্লেখ করেন কয়েক দিন আগেই প্রয়াত হওয়া আর এক মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের কথাও। মোদী বলেন, “আমার বন্ধু যখন চলে গেল, আমি তখন এত দূরে। ভাবতেও পারছি না। কয়েক দিন আগেই সুষমাজিকে হারিয়েছি আমি, আজ আমার বন্ধু অরুণকে।”

কিডনির রোগে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  অরুণ জেটলি। চলতি মাসের ৯ তারিখে অসুস্থ হয়ে পড়ে এইমসে ভর্তি ছিলেন তিনি। শেষ কিছু দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শনিবার শেষ হয় লড়াই। শুধু প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীই নন, মোদীর সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বও এক সময়ে সামলেছিলেন এই অরুণ জেটলি। বাজেপির জমানায় তিনি ছিলেন তথ্য সম্প্রচার, আইন ও কোম্পানি বিষয়ক বাণিজ্যমন্ত্রী৷

Comments are closed.