BREAKING: জনতার সঙ্গে জোটের লড়াই হবে উনিশে, আমিই মানুষের ভালবাসা ও আশীর্বাদের মুখ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উনিশ পড়ে গিয়েছে। সুতরাং বিলম্বের আর কোনও প্রশ্নই নেই। বছরের প্রথম দিন থেকে লোকসভা যুদ্ধের পোজিশনিং শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

    মঙ্গলবার এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিজেপি তথা গেরুয়া শিবিরের কাণ্ডারী জানিয়ে দিলেন, উনিশের লড়াই হবে জনতার সঙ্গে জোটের। মোদী তো মানুষের ভালবাসা আর আশীর্বাদের প্রতিচ্ছবি।

    প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, উনিশের লড়াই মোদী বনাম কার যুদ্ধে পর্যবসিত হতে চলেছে? তার জবাবেই এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পোড় খাওয়া রাজনীতিকের এই কথার মধ্যে কৌশলের মাত্রাটাই অনন্য।

    কেনকারণ, উনিশ পড়ার আগে থেকেই রাজনীতির পণ্ডিতরা বলা শুরু করে দিয়েছেন, হিন্দিবলয়ের তিন রাজ্যে কংগ্রেসের জয়ের পর আসন্ন লোকসভা ভোটের থিম হবে, মোদী বনাম রাহুল।

    কিন্তু মোদী এ দিন রাহুলের নাম মুখে পর্যন্ত আনেননি। বরং জোটের কথা বলেন। এবং বোঝাতে চেষ্টা করেন এই জোট হল, জনতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলির একটি সমষ্টি। আর জনতার প্রকৃত প্রতিনিধি তিনিই। জোটের কথা বলে এক দিকে যেমন রাহুলকে গুরুত্বহীন করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন তিনি। বোঝাতে চাইলেন, তাঁর বিরুদ্ধে নেতৃত্বের শূন্যতা রয়েছে। তেমনই জোট প্রসঙ্গ গত কয়েক দিন ধরেই আবার ক্ষুরধার আক্রমণ শানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বলছেন, সব দুর্নীতিপরায়ণরা চৌকিদারের হাত থেকে বাঁচার জন্যই জোটের আশ্রয় নিয়েছেন। ওঁরা চাইছেন, চৌকিদার ঘুমিয়ে পড়ুক। কিন্তু চৌকিদার ঘুমোনোর পাত্র নন। দুর্নীতিবাজদের জেলে ঢুকিয়ে তবেই তিনি বিশ্রাম নেবেন।

    এ প্রসঙ্গে রাহুল বা গান্ধী পরিবারের নাম না করে  এদিন তীব্র সমালোচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা ঘোর বাস্তব যে, দেশের প্রথম পরিবার বলে যাঁদের বিবেচনা করা হয়, তাঁরা সবাই এখন আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জামিনে রয়েছেন। আর তাঁদের সেবকরা সে সব তথ্য চেপে রেখে মানুষকে বিভ্রান্ত করে বেড়াচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত কোন দিকে তা পরিষ্কার। তিনি ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলার দিকে আঙুল তুলতে চাইছেন। যে মামলায় খোদ রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। এবং সেই মামলায় আগাম জামিন নিয়ে রেখেছেন মা-ছেলে সহ অভিযুক্ত নেতারা। 

    আরও পড়ুন: মোটেই ঝটকা ছিল না নোটবন্দি, সিদ্ধান্তে এখনও অবিচল মোদী

    বস্তুত, তিন রাজ্যের ভোট-সাফল্যের পরে রাহুলকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস শিবির যখন উজ্জীবিত তখন মোদী-শাহরা সেই আত্মবিশ্বাসের জায়গাটাতেই যে আঘাত করতে চাইবেন, তা সহজবোধ্য। এ দিনের সাক্ষাৎকারেও মোদী তা-ই করেছেন। তাঁর কথায়, কংগ্রেস মুক্ত ভারতের কথা বলেছিলাম ঠিকই। তার মধ্যে দিয়ে যা বলতে চেয়েছিলাম তা হল, কংগ্রেস একটা সংস্কৃতি। যে সংস্কৃতি পরিবারতন্ত্রের কথা বলে। তার থেকে মুক্তির কথাই বলেছি। এ-ও বলছি, কংগ্রেসেরও উচিত সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা।

    এ দিনের সাক্ষাৎকারে পাঁচ রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র বিপর্যয় নিয়েও প্রশ্ন করা হয় প্রধানমন্ত্রীকে। তবে জবাবে তিনি বলেন, তেলঙ্গানা ও মিজোরামে বিজেপি-কে কেউ ধর্তব্যের মধ্যেই ধরেনি। ছত্তীসগড়ে মানুষ স্পষ্ট মত দিয়েছেন। রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ত্রিশঙ্কু হয়েছে। তাঁর কথায়, দ্বিতীয় বিষয় হল, ওই দুই রাজ্যে ১৫ বছর ধরে সরকার চলছে। তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। তবে কোথায় ফাঁকফোকর ছিল তা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।

    https://www.thewall.in/news-modi-defends-demonitisation-move/

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More