দক্ষিণবঙ্গের দুর্যোগ সামলাতে ভবিষ্যতের জন্য যেসব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    ধূর্জটিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    বিগত বুলবুল সুন্দরবনের মানুষ থাকা দ্বীপের দিকে না এসে অরণ্যের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছিল। কিন্তু সমূহ ক্ষতি হয়েছিল জি প্লট, সাগরদ্বীপের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, মেদিনীপুরের একাংশর। আয়লা ভেঙে দিয়েছিল সুন্দরবনের মানুষ অধ্যুষিত দ্বীপের বাঁধসমূহ। আয়লার ক্ষতি আর বুলবুলের করা ক্ষতির তুলনা করা হচ্ছে না। যেটা শেখার ছিল, তা হল দুটোতে তফাৎ কী কী?

    প্রথমত, আয়লার তান্ডব শুরু হয়েছিল ২৩শে মে, ২০০৯। এটা ছিল প্রাক মৌসুমী ঝঞ্ঝা। এ সময় আবহাওয়ার জলীয় ঘনত্ব বেশি থাকে। তাই মোমেণ্টাম বা ঝড়ের ভরবেগও প্রভূত হয়। বুলবুলের তারিখ ছিল ১লা নভেম্বর, ২০১৯ এবং এটির গতিবেগ আয়লার থেকে বেশি হলেও এটি ছিল বর্ষার পরে তাই আবহাওয়ার জলীয় ঘনত্ব কম এবং সেহেতু সম্মিলিত ভরবেগ কম ছিল। এর পরে আর একটা ব্যাপার জরুরী, এবং তা হল ঘটনাটা মরা কোটালে বা ভাঁটায় ঘটছে না ভরা কোটালে বা জোয়ারে ঘটছে! ভরা কোটালে ঘটলে ঢেউয়ের উচ্চতা প্রায় দশ ফুট বেড়ে যেতে পারে।

    গতবার বুলবুলের ক্ষতি সামলাতে না সামলাতে ছয় মাসের ব্যবধানে চলে এল আমফান। এটিও প্রাক মৌসুমী বা প্রাক বর্ষাঋতু ঝঞ্ঝা। এর গতি ছিল বুলবুলের থেকে বেশি ও আবহাওয়ার জলীয় ঘনত্ব আয়লার সমান কারণ আয়লা ও আমফান দুটোই বছরের প্রায় একই সময় সূচিত হয়েছিল। তাই মিলিত ভরবেগ বিগত দুটি ঝঞ্ঝার থেকেই হল বেশি। যখন ঝড়ের চোখটা এসে পৌঁছল পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে তখন এর দাপট প্রায় ৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ নিয়ে আছড়ে পড়ল আশেপাশের এলাকায়।

    ঝড়ের চোখের গতিপথ ভবিষ্যদ্বাণী করা এক অত্যন্ত জটিল বহু বিষয় নির্ভরশীল বিজ্ঞান যার মূলে আছে তাপগতিবিদ্যা বা থার্মোডায়নামিক্স। বর্তমানে উপগ্রহর ছবি ও তথ্য প্রাপ্তির জন্য এই প্রেডিকশন বা ভবিষ্য ঘোষণা অনেকটা সহজ হলেও কখনোই নির্ভুল হতে পারে না। আমফানের সময়ে সৌভাগ্যক্রমে এই প্রেডিকশন প্রায় নির্ভুল হয়েছিল।

    যে সময় ধরে ঝঞ্ঝার চোখ ধীরে ধীরে সাগর উপকূল পেরিয়ে কলকাতার দিকে আসছিল সেই পুরো সময়টাই পঞ্চাশ কিলোমিটার ব্যাসার্ধর সমগ্র এলাকায় চলছিল ১২০ কিমি – ১৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতি বেগের তুফান। এটাই ঝঞ্ঝার তাপগতিবিদ্যার চরিত্র। আবহবিদদের প্রায় নির্ভুল প্রেডিকসান সত্ত্বেও বিপুল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলির একাংশকে বাঁচানো গেল না। কলকাতা ও শহরতলি এবং উপকূলবর্তী এলাকার ক্ষয়ক্ষতি একেবারে ভিন্ন মাত্রার ও ভিন্ন বৈজ্ঞানিক আঙ্গিকের।

    কলকাতা ও শহরতলিতে ঝঞ্ঝার আগে ও পরে কী কী করণীয় তা অনেকটাই প্রথাগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সহজ পাঠের অংশ, এর রূপরেখা তৈরির জন্য আমাদের কাছে বিভিন্ন উন্নত সমাজের নকশা বা প্রতিমান সহজলভ্য। কিন্তু উপকূলবর্তী এলাকার ক্ষয়ক্ষতি ও তার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার রূপরেখা একেবারেই নিজস্ব ঢঙে তৈরি করার আশু প্রয়োজন।

    এই রূপরেখার মূলত দু’টি ভাগ। প্রথমত ঝঞ্ঝার পরে ও দ্বিতীয়ত ঝঞ্ঝার আগে। ঝঞ্ঝার পরে করণীয়র তালিকা ক্রমশ দীর্ঘায়িত ও কষ্টসাধ্য হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তা অসম্ভবে পরিণত হতে চলেছে। ঝঞ্ঝার পরে করণীয়র তালিকা শুরু হওয়া উচিত ঝঞ্ঝা ঘোষিত হবার দিন থেকে। আধুনিক যুগে অন্তত চার থেকে সাত দিন সময় পাওয়া যায়।

    ঝঞ্ঝার আগে করণীয়র মধ্যে পড়ে:

    প্রথমত

    মানুষ, গবাদি পশু ও খাদ্যসম্ভার স্থানান্তরিত করা। এই প্রথম কাজটিই করা সম্ভবপর হয়ে উঠছে না। সুন্দরবন ও সংলগ্ন উপকূলবর্তী অনেকাংশের অর্থনীতি আংশিক ভাবে স্ব-নির্ভর বা পারশিয়ালি সাবসিসটেন্ট অর্থাত্‍ তারা উৎপন্ন খাদ্যশস্যের অনেকটা নিজেদের জমিতে মজুত রাখে। গবাদি পশুও তাদের বাসস্থানের মধ্যেই থাকে। এই পুরো লটবহর নিয়ে স্থানান্তর প্রায় অসম্ভব। তাই এই স্ব-নির্ভর অর্থনীতিকে বিকল্প দেওয়াই একমাত্র কর্তব্য, যা ঝঞ্ঝার পরের করণীয়র তালিকা থেকে প্রাক-ঝঞ্ঝা করণীয়র তালিকায় চলে যায়।

    দ্বিতীয়ত

    স্থানান্তর যেসব আশ্রয়স্থলে করা হবে সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ, ব্যবহার্য জল ও ডিজেল চালিত জেনরেটরের ব্যবস্থা রাখা। গণখাদ্যের ব্যবস্থা করা এবং এই ব্যবস্থা অন্তত পনেরো দিন থেকে এক মাস কার্যকরী রাখা আবশ্যক। যে সব সামাজিক ত্রাণ বা সাহায্য আসবে তার সুষ্ঠু পরিচালনার ভার এই সব এক একটি আশ্রয়স্থলের আধিকারিকদের ওপর ছেড়ে দিতে হবে।

    তৃতীয়ত

    গ্রামের যেটুকু স্বাস্থ্য পরিষেবা আছে তা আধিকারিকদের নিয়ন্ত্রণে আনা। বিডিও অফিসের যা ক্ষমতা তা আপত্‍কালীন স্থিতিতে অনেকটাই বাড়িয়ে দেওয়া ও আধিকারিক নির্বাচনে পঞ্চায়েতকে স্থানীয় সরকারি আধিকারিকদের মেনে চলতে বলার বাধ্যতার নিশ্চিতায়ন বা এটিকে দুর্যোগকালীন আইনের আওতায় আনা।

    চতুর্থত

    গ্রামের মানুষদের দিয়েই পুনর্নির্মানের কাজের জন্য বরাদ্দ সরকারি অনুদান ভাগ করে দেওয়া। বাঁধনির্মানের পঞ্চাশ শতাংশ কাজ এভাবেই হতে পারে এবং সাধারণ মানুষই এতদিন করে এসেছে। কিন্তু যে যার এলাকা করলে তা বিজ্ঞানভিত্তিক কখনওই হবে না এবং এর জন্য সাংগঠনিক স্তরে একটা নিয়মাবলী বা রূপরেখার আশু প্রয়োজন। এরকম একটা মডেলে কাজ করে ব্যক্তিগত স্তরে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছেন একসময়কার রাজনীতিবিদ ও বর্তমানের পরিবেশপ্রেমী কান্তি গাঙ্গুলি। রায়দিঘিতে আমফানের পর এই পুনর্নির্মাণ ভবিষ্যতে কান্তি মডেল হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

    প্রাক ঝঞ্ঝার করণীয়র তালিকা তৈরি তৈরি করতে গেলে প্রতি বছর করণীয়র তালিকা জুড়ে একটা পাঁচ বছরের রূপরেখা তৈরি করা জরুরি:

    প্রথম কাজ

    বাদাবনের সমৃদ্ধি। ঝঞ্ঝার চোখ বা আই অফ স্টর্ম ঘুরিয়ে দেয় বাদাবন, এমনটা শোনা যায়। এটা সত্য। বস্তুত সব অরণ্যই জনপদকে ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে বাঁচাতে সক্ষম। কিন্তু সমুদ্রোপকূলবর্তী নোনা জলে বাঁচতে পারে একমাত্র ব্রাকিশ ম্যানগ্রোভ বা নোনা জলের বাদাবন।

    কিন্তু সুন্দরবন অঞ্চলের বাদাবন ও তার ঝড় প্রশমন করার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষনার কাজ আদৌ সুচারুভাবে হয়নি। বাদাবনের ওপর এই গবেষণা বঙ্গীয় উপসাগরের আসন্ন বিপদকে মন্দীভূত করতে পারে। যদি মনে করা হয় যে হল্যান্ডের মত উন্নত মানের বাঁধ তৈরি করে পঞ্চাশের ওপর দ্বীপে সুন্দরবনের মানুষদের বাঁচানো যাবে-তাহলে আমরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছি। প্রায়ই শোনা যায় যে সরকার বাদাবন রোপণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমনটা ভাবা হয় যে সুন্দরবনের বাদাবন লবণাক্ত জল ছাড়া বাঁচে না। এটা সত্যও বটে আবার মিথ্যাও বটে।

    সুন্দরবন অরণ্য আরও মিষ্টি জল চায়। যে কোনও ঘন অরণ্যই ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে বিপদমুক্তি ঘটাতে সক্ষম। কিন্তু সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় যে কোনও উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না। তাই সুন্দরবনের নোনাজলের বাদাবন এত বিশিষ্ট। এরা লবণাক্ত জলে বেঁচে থাকার ক্ষমতা সম্পন্ন। সমুদ্রের জল থেকে মিষ্টি জল শুষে নিয়ে এরা বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু এই লবণাক্ত জলে বেঁচে থাকার পরেও এদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও বংশবৃদ্ধির জন্য মোহনায় মিষ্টি জলরেখার মিশ্রণ একান্ত প্রয়োজন।

    মাতলা মিষ্টি জল থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত। বিদ্যাধরীর জল ক্ষীণ। ইছামতীর জল অনেকটাই বাংলাদেশে চলে গেছে। পশ্চিমবঙ্গীয় সুন্দরবনের বাদাবন মোহনায় নদীর মিষ্টি জল চায়। অতীতটা এরকম ছিল না। অসংখ্য মিষ্টি জলরেখা হুগলি থেকে ও বর্ষা প্লাবিত হয়ে এসে পড়ত মাতলায়। বিদ্যাধরী ছিল সমৃদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গস্থিত সমুদ্র উপকূলবর্তী সুন্দরবনের বাদাবনের জন্য সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ -মাতলা নদীতে মিষ্টি জলরেখা ফিরিয়ে দেওয়া।

    মাতলা নদীতে মিষ্টি জলরেখা ফিরিয়ে দেওয়া কি কঠিন কাজ ! আদপেই নয়। দরকার এটাকে প্রধান অ্যাজেন্ডার মধ্যে আনা। কীভাবে মাতলায় মিষ্টি জল ফেরানো যায় তার মানচিত্রর খসড়াও সুন্দরবন প্রেমীদের কাছে আছে ব্যক্তিগত স্তরে। এই মিষ্টি জলরেখা হুগলি থেকে মাতলায় সংযুক্ত করার যে কর্মোদ্যোগ তাতে সুন্দরবনের মানুষদের একশোদিনের কাজের সুযোগ তৈরি হবে। মনে রাখতে হবে যে নৌপথ নির্মাণে, নৌ পরিবহন সংক্রান্ত কাজে ঐতিহাসিক ভাবে এই জনজাতি বিশ্বের দরবারে সেরার শিরোপা পেয়ে এসেছে সেই বারো ভুইয়াঁর আমল থেকে।

    দ্বিতীয় কাজ

    পশ্চিমবঙ্গস্থিত সমুদ্র উপকূলবর্তী জনজাতির কর্মদক্ষতার অভিমুখ বদল করার প্রয়াস করা যাতে তারা ক্রমে এই রাজ্য তথা দেশের অন্য এলাকায় থাকার উপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এককথায় এলাকার জনস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ ও তাদের অপর জায়গায় অভিপ্রয়াণের যোগ্য করে তোলা। তবে এই পদ্ধতি যেন কোনও ভাবেই মরিচঝাঁপির মত অমানবিক না হয়!

    তৃতীয় কাজ

    দ্বীপসমূহে ও উপকূলবর্তী এলাকায় কৃত্রিম ভাবে উচ্চভূমি তৈরি করে আবাসন নির্মাণ ও নদী বা জলরেখা থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে জনবসতি অপসারণ করা।

    চতুর্থ কাজ

    জমির পাট্টার পরিবর্তন করা বা বিক্রয় নিষিদ্ধ করা। যদি জমি বিক্রয় করতে হয় তো সেটা একমাত্র সরকারকেই করতে হবে এই আইন প্রণয়ন করা। সরকারকে জনজাতিকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে যাতে ভাল দামে অরণ্য দফতরকে জমি বিক্রি করে তারা। এই টাকায় পুনর্বাসন সম্ভব হবে ওই পরিবারটির অপর কোনও দূরবর্তী স্থানে।

    পঞ্চম কাজ

    প্রতি দ্বীপে চাল মজুতের সরকারি পাকা গুদাম তৈরি করা, এবং অতিরিক্ত চাল কিনে নিতে হবে সরকারকে। এই পদ্ধতি আংশিক ভাবে স্ব-নির্ভর বা পারশিয়ালি সাবসিসটেন্ট অর্থনীতির মনন থেকে জনজাতিকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করবে।

    ডাম্পিয়ার-হজের চিহ্ন রেখা অনুসারে ১৮২৯-৩০ সনে সুন্দরবনের সীমানা নির্ধারিত হয়। উইলিয়াম ডাম্পিয়ার ও আলেকজান্ডার হজ হলেন সেই দুই ব্যক্তি যাঁরা জরিপ করে এই সীমারেখা নির্ধারণ করেছিলেন। এই এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে দ্বীপসমূহের ভৌগোলিক আয়তনের বাড়া-কমা চলে আসছে।

    পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ পরগনার সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পর ভৌগোলিক আয়তন ২৫৮৫ বর্গ কিলোমিটার যার মধ্যে জনবসতি ১৪৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং অরণ্য ১৪৪৫ বর্গ কিলোমিটার। ১৮৬২ সালে, ৪৫ কিমি দীর্ঘ রেললাইন পাতা হয় অধুনা শেয়ালদা থেকে ক্যানিং বন্দর অবধি। ১৮৫৭ র সিপাহী বিদ্রোহের পর কোম্পানি তেড়েফুঁড়ে ওঠে ব্যবসায়ে দ্রুত সাফল্যের জন্য। হুগলি নদীর নাব্যতা কমে যাবার আশংকায় বিদ্যাধরী ও মাতলার সঙ্গমস্থলে ক্যানিং নদী বন্দর স্থাপিত হয় রেল লাইন পাতার পাশাপাশি।

    এক বিশাল অরণ্য অঞ্চল সম্পূর্ণ সাফ করে ফেলা হয়। বিপুল পরিমাণে বাদাবন কাটায় সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ে সহজে আক্রান্ত হবার প্রবণতায় ক্যানিং বন্দর সম্পূর্ণ ভাবে বিধ্বস্ত হয় পরবর্তী ঝঞ্ঝায়, ২রা নভেম্বর , ১৮৬৭তে। ক্যানিংয়ে যে দিক থেকে বিদ্যাধরীর মিষ্টি জলরেখা আসছিল তা ক্রমশ গেছিল বুজে। তৈরি হয়েছিল নদীবাঁধ। স্থাপিত হয়েছিল বসতি। সময় হয়েছে এখন এই হঠকারী কাজকে প্রশমিত করার। নচেত্‍ দক্ষিণবঙ্গের ভৌগোলিক সীমারেখা একেবারে বদলে যেতে পারে। বাঙালির শখের কলকাতা ফের ভরে যেতে পারে নোনা জলে আর গড়িয়াতে ফের দেখা যেতে পারে গুড়িয়া প্রজাতির বাদাবন, এন্টালিতে হেঁতাল গাছের ঝোপ।

    যেমনটা অতীতে ছিল এ অঞ্চল তাই ফের করে নিতে পারে প্রকৃতি।

    (লেখক প্রকৃতি সংরক্ষণ গবেষক ও লেখক)

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More