বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

প্যান কার্ড করাতে দালাল নয়, নিজেই আবেদন করুন অনলাইনে, জানুন কীভাবে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এখন প্যান কার্ড পাওয়া খুবই সহজ হয়ে গেল। আবেদনের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই প্যান কার্ড বরাদ্দ করার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আবেদনের দু’দিন-এর মধ্যেই যাতে প্যান কার্ড বরাদ্দ করা যায় তার জন্য অনলাইন সুবিধা চালু হয়েছে।

এই সুবিধা দেওয়ার কারণ, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া, নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি সম্পতি ক্রয়-বিক্রয় এবং গাড়ি কেনা-সহ অন্যান্য কাজের জন্য প্যান কার্ড প্রয়োজন। ১ লক্ষ টাকা বা তার বেশি দামের গয়না কেনার জন্যও প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সকলের জানা উচিত যে আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক সংস্থা কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদ (সিবিডিটি) ভোটার কার্ড ও আধার কার্ডে উল্লিখিত জন্ম তারিখকে প্যান কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

প্যান কার্ড করতে কী কী লাগবে?
পরিচয়পত্র :
১। ভোটার আই কার্ড
২। আধার কার্ড
যে কোন একটি হলেই চলবে

ঠিকানার প্রমাণপত্র :
১। ভোটার আই কার্ড
২। আধার কার্ড
৩। ব্যাঙ্ক পাসবুক
৪। ইলেকট্রিক বিল
৫। টেলিফোন বিল
যে কোন একটি হলেই চলবে

বয়সের প্রমাণপত্র :
১। ভোটার আই কার্ড (যদি জন্ম তারিখ উল্লেখ থাকে)
২। আধার কার্ড (যদি জন্ম তারিখ উল্লেখ থাকে)
৩। জন্ম প্রমাণপত্র
৪) মাধ্যমিক পাশ সার্টিফিকেট
৫) ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেট-কে দিয়ে করানো এফিডেভিট্
যে কোনও একটি হলেই চলবে

দু’কপি কালার স্ট্যাম্প সাইজ ফটো

এবার জেনে নিন কীভাবে অনলাইন আবেদন করবেন। প্রথমেই চলে যান আয়কর বিভাগের incometaxindiaefiling.gov.in ওয়েবাসাইটে।

সেখানে Apply at UTI web-site লেখায় ক্লিক করুন। www.utiitsl.com-এর পাতায় পৌঁছে যাবেন। এখানেই দেখবেন all PAN card related service লেখা।

সেখান ক্লিক করলেই পাবেন আর একটি পাতা যেখানে গিয়ে ক্লিক করতে হবে নতুন কার্ড আবেদনের জায়গায়। সেই ক্লিকে খুলবে 49A ফর্ম। এই ফর্মটি ঠিকঠাক পূরণ করতে হবে।

এর পরে সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পরে ভ্যালিডেশন বাটনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে দেখে নিতে হবে সব তথ্য ঠিকঠাক দেওয়া হয়েছে কি না। এর পরে মেক পেমেন্ট বাটনে ক্লিক করে নেট ব্যাঙ্কিং, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিতে হবে। মনে রাখবেন ভারতে বসবাসকারী নাগরিকদের দিতে হয় ১০৭ টাকা, বিদেশের ঠিকানা হলে ৯৮৯ টাকা।

সাকসেস পেমেন্ট হলে ফর্মটি প্রিন্ট দিয়ে তাতে ৩.৫ X ২.৫ মাপের দু’টি ছবি লাগাতে হবে। তিনটি নির্দিষ্ট জায়গায় সই করতে হবে। এর পরে ওই ফর্মের সঙ্গে নাগরিক পরিচয়পত্র, জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ এক সঙ্গে করে পাঠাতে হবে। সেই সঙ্গে পাঠাতে হবে টাকা জমা দেওয়ার পেমেন্ট কনফারমেশন রসিদ।

এবার নীচের যে ঠিকানাটি আপনার কাছাকাছি সেখানে পাঠিয়ে দিতে হবে। এর পরে আর আপনার কোনও কাজ নেই। আপনার বাড়িতে চলে আসবে প্যান কার্ড। সেখানে কোনও পরিমার্জন বা পরিবর্তন চাইলে ফের একই পদ্ধতিতে আবেদন জানাতে হবে।

Comments are closed.