আর কতদিন রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে আমাদের বাইরে রাখা হবে? প্রশ্ন মোদীর

১৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে যাতে ভারত আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, সেজন্য শনিবার সন্ধ্যায় জোরালো সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর প্রশ্ন, আমাদের আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে? আর কতদিন রাষ্ট্রপুঞ্জের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে আমাদের দূরে রাখা হবে?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন আমরা দুর্বল ছিলাম, তখন আমাদের নিয়ে কারও মাথাব্যথা ছিল না। আমরা যখন শক্তিশালী হলাম, আমাদের সকলে বোঝা ভাবতে লাগল। ভারত বহুবার রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনা পাঠিয়েছে। আমরা অনেক সেনা হারিয়েছি। আর কতদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে?”

এদিন রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার ভার্চুয়াল অধিবেশন হয়। সেখানে ভাষণ দেন মোদী। তিনি বলেন, “ভারত যে নীতি নিয়ে চলে তার সঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জের আদর্শের মিল আছে। আমরা মনে করি বসুধৈব কুটুম্বকম। আমাদের দেশ সবসময় বিশ্বের কল্যাণের জন্য কাজ করে।”

মোদী মনে করেন, রাষ্ট্রপুঞ্জে সংস্কার প্রয়োজন। তাঁর কথায়, “রাষ্ট্রপুঞ্জে সংস্কারের জন্য ভারত অপেক্ষা করছে।”

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ হল সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। ওই সংস্থা কোনও দেশের ওপরে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ। তারা হল আমেরিকা, ব্রিটেন, চিন, রাশিয়া ও ফ্রান্স। তাদের প্রত্যেকের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা আছে। ভারত এর আগে সাতবার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হয়েছে। গত জুন মাসে ফের দু’বছরের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হয়েছে ভারত। আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো এবং নরওয়েও একইসঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত হওয়ার পরে মোদী টুইট করে বলেন, “আন্তর্জাতিক মহল যেভাবে আমাদের সমর্থন করেছে, তাতে আমরা কৃতজ্ঞ।” ভারত চায়, নিরাপত্তা পরিষদে তাকে স্থায়ী আসন দেওয়া হোক। গত সপ্তাহে দিল্লি থেকে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসন পাওয়াই আমাদের লক্ষ্য। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে চারটি দেশই ভারতকে স্থায়ী আসন দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কার করার কাজে তিনি ভারতের পাশে আছেন।

কিছুদিন আগে সংসদে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলিধরন বলেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্যদের কেউ কেউ চায়, নিরাপত্তা পরিষদে কেবল অস্থায়ী সদস্যদের সংখ্যাবৃদ্ধি হোক।” তিনি পরোক্ষে চিনের কথা উল্লেখ করেন। গত বুধবার ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা বলে, রাষ্ট্রপুঞ্জে যেভাবে ধীর গতিতে সংস্কার করা হচ্ছে, তাতে তারা হতাশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More