Breaking: গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে নিল কেন্দ্র, পরিবর্তে সিআরপিএফ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : এখন থেকে গান্ধী পরিবারের আর কাউকে নিরাপত্তা দেবে না এসপিজি। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী, তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী ও মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা এখন থেকে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন। কিছুদিন আগে ভিআইপিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, সরকারি সিদ্ধান্তের কথা তাঁদের জানানো হয়নি।

    এখন থেকে এসপিজি-র সুরক্ষা পাবেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জেড প্লাস সিকিউরিটি মানে এবার সিআরপিএফের রক্ষীরা গান্ধী পরিবারের সদস্যদের পাহারা দেবেন।

    সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ঝড় উঠবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী জঙ্গিদের হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে গান্ধী পরিবারের সদস্যরা এসপিজি কভার পেয়ে থাকেন। ১৯৮৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার এক বছর বাদে স্পেশ্যাল প্রোটেকশন ফোর্স বা এসপিজি গঠন করা হয়। সেই বাহিনীতে ৩ হাজার সদস্য আছেন। ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা দেওয়া তাঁদের কাজ।

    রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর এসপিজি আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁদের পরিবার ১০ বছর স্পেশাল প্রোটেকশন গার্ডের সুরক্ষা পাবেন। ২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে সেই আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, ১০ বছর নয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার এক বছর এসপিজি প্রোটেকশন পাবেন। তারপর খতিয়ে দেখা হবে, তাঁদের কতদূর নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।

    গান্ধী পরিবারের দু’জন জঙ্গিদের হাতে নিহত হয়েছেন। তাঁরা বরাবরই দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত পরিবারগুলির অন্যতম। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও আরও অল্প কয়েকজন অত সুরক্ষা পেয়ে থাকেন। গত অগস্টে সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর এসপিজি কভার তুলে নিয়েছে। এর আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া ও ভি পি সিং-এর এসপিজি সুরক্ষাও তুলে নেওয়া হয়। অটলবিহারী বাজপেয়ী অবশ্য আমৃত্যু স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের ঘেরাটোপে থেকেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More