শাঁখা-সিঁদুর পরতে নারাজ স্ত্রী, ডিভোর্সে অনুমতি দিল হাইকোর্ট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : কোনও হিন্দু মহিলা যদি শাঁখা-সিঁদুর পরতে অস্বীকার করেন, তার অর্থ তিনি বিবাহকেই অস্বীকার করছেন। গত ১৯ জুন এই মন্তব্য করেছে গুয়াহাটি হাইকোর্ট। এক স্বামী হাইকোর্টে অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রী শাঁখা-সিঁদুর পরতে চাইছেন না। তাঁকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হোক। বিচারপতিরা সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এর আগে ফ্যামিলি কোর্টে স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন নাকচ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্ট ভিন্ন রায় দিয়েছে।

    ফ্যামিলি কোর্ট বলেছিল, স্ত্রী শাঁখা-সিঁদুর পরতে অস্বীকার করেছেন বলেই তিনি স্বামীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন, এমন বলা যায় না। কিন্তু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অজয় লাম্বা ও বিচারপতি সৌমিত্র শইকিয়া বলেন, ওই মহিলা অবিবাহিত থাকতে চান। তাই তিনি শাঁখা-সিঁদুর পরতে অস্বীকার করেছেন। তিনি ওই ব্যক্তির স্ত্রী হতে চান না।

    ২০১২ সালে তাঁদের বিবাহ হয়। তার পরেই শুরু হয় মতবিরোধ। ওই মহিলা স্বামীর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে থাকতে অস্বীকার করেন। ২০১৩ সালের ৩০ জুন থেকে স্বামী ও স্ত্রী আলাদা বসবাস করতে থাকেন।

    মহিলা পুলিশে অভিযোগ জানান, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ওপরে অত্যাচার করেছেন। হাইকোর্টের বিচারপতিরা বলেন, অভিযোগকারিণী অত্যাচারের প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তাঁদের কথায়, “সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বলেছে, কোনও মহিলা যদি স্বামী বা স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে অত্যাচারের মিথ্যা অভিযোগ তোলেন, তাহলে ধরে নিতে হবে, তিনি শ্বশুরবাড়ির সকলের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More