মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১
TheWall
TheWall

শীত আসার আগেই সর্দি-কাশি-গলা ব্যথায় জেরবার! ঘরোয়া টোটকায় এড়িয়ে চলুন সমস্যা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীত পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তেই সবচেয়ে বেশি শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রায় রোজ বদলাচ্ছে আবহাওয়া। দিনে গরম তো রাতে ঠান্ডা। আচমকাই একলাফে পারদ নামছে অনেকটা। কখনও আবার একধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকরাও বলেন এই সময় সাবধানে থাকতে যাতে কোনও ভাবেই ঠান্ডা লেগে না যায়। ছোটদের পাশাপাশি প্রোটেকশন প্রয়োজন বড়োদেরও। বিশেষ করে যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে এই সময়টাই খুবই সাবধানে থাকতে হয় তাঁদের।

তবে শত চেষ্টার পরে এড়ানো যায় না টনসিলের ব্যথা। খুব মারাত্মক না হলেও হাল্কা কাশি, গলা খুশখুশ ভাব কিংবা হাঁচি বা নাক দিয়ে অবিরাম জল পড়া—-প্রাক শীতের মরশুম এইসব লেগেই থাকে। যদিও এইসব সমস্যা এড়ানোর উপায় বেশ সহজ। নিজেকে সাবধানে রাখার পাশাপাশি যদি প্রতিদিন মেনে চলা যায় বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা তাহলেই উপকার পাবেন আট থেকে আশি।

১। নুন জলে গার্গল- যদি গলায় ব্যথা হয় তাহলে অবশ্যই হাল্কা গরম জলে গার্গল করুন। গরম জলের মধ্যে এক চিমটে নুন মিশিয়ে নেওয়া খব ভালো। তাতে ইনফেকশন কমে যায়। ঠান্ডা লেগে অনেকসময় দাঁতেও যন্ত্রণা হয়। সেক্ষেত্রেও এই উপায় কাজ দেয়। গরম জলে নুন মিশিয়ে কুলকুচি করলে ইনফেকশন কমে যায়।

২। লেবু, মধু এবং আদা দিয়ে চা- গলায় ব্যথা, খুশখুশে ভাব, হাল্কা কাশি কমাতে এ দাওয়াই অব্যর্থ। মধু কিংবা লেবু অথবা আদার কুচি মেশানো চা খেলে টনসিলের ব্যথাতেও আরাম পাবেন।

৩। চিনি এবং গোলমরিচ- কাশি হওয়ার বড় সমস্যা। যখন তখন যেখানে সেখানে কাশি হতে পারে। তাই বড় গোলমরিচ থেঁতো করে বা গোটাই মুখে রাখুন। ঝাঁঝ এরাতে মুখে দিন সামান্য চিনি। এতে উপকার পাবেন।

৪। শীত পড়ার আগে থেকেই হাল্কা গরম জলের ব্যবহার শুরু করতে পারেন। ঘুম থেকে যখন প্রথম মুখে জল লাগাবেন মানে মুখ ধোবেন বা দাঁত মাজবেন সেসময় হাল্কা গরম জলের ব্যবহার করাই ভালো। এতে যাঁদের চট করে ঠান্ডা লেগে যায় তাঁদের কিছুটা উপকার হবে।

৫। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে লেবু-মধু মেশানো গরম জল খেতে পারেন। এর নানা উপকার রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল ঠান্ডা প্রতিরোধ করা। কারণ মধু শরীরকে গরম রাখে। ফলে সহজে ঠান্ডা লাগতে পারে না।

Share.

Comments are closed.