হাওয়াই চপ্পল পরে কবে ওঠা যাবে হাওয়াই জাহাজে, সন্দেহ

0 ১০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : হাওয়াই চপ্পল টু হাওয়াই জাহাজ। ছোট শহর থেকে সাধারণ মানুষও উঠবেন প্লেনে। প্রয়োজনে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আকাশপথেই খুব তাড়াতাড়ি ও সস্তায় নিজের পণ্য পৌঁছে দেবেন বাজারে। এই ভাবনা থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতবছর চালু করেছিলেন বিশেষ উড়ান প্রকল্প হাওয়াই চপ্পল টু হাওয়াই জাহাজ।

সরকারের পরিকল্পনা ছিল, দেশের নানা প্রান্তে যে সব এয়ারস্ট্রিপ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, সেগুলি কাজে লাগানো। তাহলে জেলা শহর থেকেই শুরু করা যাবে বিমান চলাচল।  কিন্তু সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি জানিয়ে দিয়েছে, অতোগুলি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ ফের ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে যত টাকা দরকার তাদের তা নেই।  ফলে হাওয়াই চপ্পল টু হাওয়াই জাহাজ প্রকল্প নিয়ে দেখা গিয়েছে সংশয়।

ভারতে বিমানযাত্রীর সংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে ২০ শতাংশ হারে। দেশি ও বিদেশি বিমান সংস্থাগুলির কাছে রীতিমতো লোভনীয় হয়ে উঠছে এদেশের অসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্র। যাত্রীদের বর্ধিত চাহিদার দিকে নজর রেখে কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৭ সালের শুরুর দিকে ‘আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রকল্প’ নামে একটি কর্মসূচি হাতে নেয়। স্থির হয়, ওই প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে  ৪০০ টি এয়ারস্ট্রিপকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে।

ওইসব ছোট বিমান বন্দর থেকে বিমান চালানোর জন্য এয়ার ডেকান, এয়ার ওড়িশার মতো ছোটখাট সংস্থা যেমন এগিয়ে এসেছিল, তেমনই আগ্রহী হয়েছিল ইন্ডিগো, জেট এয়ারওয়েজ, স্পাইসজেটের মতো বড় কোম্পানিও।

কথা ছিল, ২০১৭-র মধ্যে সারা দেশে অন্তত ৩১ টি এয়ারস্ট্রিপকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে। কিন্তু বছরের শেষে জানা যায়, কাজ হয়েছে মাত্র ১৬টিতে। বিভিন্ন রাজ্য কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েছে, বিমান চলাচল করার জন্য যে পরিকাঠামো লাগে, তা কেনার মতো অর্থ তাদের নেই। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারই রাজ্যগুলিকে বলেছে, আমরাই সব যন্ত্রপাতি কিনে রাজ্যগুলিকে ধার দেব। জুনের মধ্যেই ৩১ টি নতুন বিমান বন্দর বানানোর লক্ষমাত্রা পূরণ করা চাই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More