শুক্রবার, অক্টোবর ১৮

ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ক্রিসমাস মার্কেটে জঙ্গি বন্দুকবাজের হামলা, নিহত ৪, জখম ১২

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ শহরে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের দফতরের নাকের ডগায় একটি বাজারে বন্দুকবাজের হানায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন। জঙ্গি পলাতক।

পূর্ব ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ঘটনাটি ঘটেছে। শহরের একটি চক এলাকার ক্রিসমাস মার্কেটে এই হামলা হয়। স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের একটি শাখা রয়েছে। সেখানে অনেকে আটকে পড়ছেন। এর আগে একটি ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন এই ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার হুমকি দিয়েছিল বলে একটি রিপোর্টে জানা যাচ্ছে। ২৯ বছরের বন্দুকবাজকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ, কিন্তু তাকে ধরা যায়নি। পালিয়ে গেছে সে। তার কাছে অস্ত্র থাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবক স্থানীয় বাসিন্দা। সে শহরের অলিগলি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুঁটিনাটি জানে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গোটা এলাকায় বিরাট পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।

স্ট্রাসবুর্গের ক্রিসমাস মার্কেট ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় ও ইউরোপের সবচেয়ে পুরনো। এই বিখ্যাত মার্কেটে বছরের এই সময় প্রচুর পর্যটক কেনাকাটা করতে আসেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তখন ক্রিসমাসের কেনাকাটার জন্য অনেকেই দোকানে ছিলেন। আচমকাই রাত আটটা নাগাদ শুরু হয় বন্দুক নিয়ে তাণ্ডব। মিনিট দশেক ধরে চলে গুলিবর্ষণ। মানুষজন ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দেন। নিহত ও আহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি পুলিশ। শহরের নিউডর্ফ এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে।

 

বিবিসি-কে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, তিনি ব্রিজের উপরে এক জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁকে তিনি হার্ট পাম্প করলেও তিনি মারা যান। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ইমানুয়েল ফুলন বলেন, গোটা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক। রাস্তায় বন্দুক হাতে পুলিশ ছুটোছুটি করছে।  দোকানপাট ও রেস্তোরাঁতেও আটকে পড়েছিলেন অনেকে। পরে তাঁদের পুলিশ বাড়ি চলে যেতে বলে।

ব্রিটেনের মেম্বার অব ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট রিচার্ড করবেট টুইট করে বলেছেন, তিনি কাছেই এক রেস্তোরাঁতে আটকে পড়েছিলেন।

স্ট্রাসবুর্গের ডেপুটি মেয়র আ্যালেন ফন্টানেল টুইট করে সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলেছেন। ঠিক কী ঘটেছে তা এখও জানা যায়নি, তবে স্ট্রাসবুর্গ শহরের মূল কেন্দ্রে যে গুলি চলেছে সে কথা জানিয়েছেন তিনি।

 

Comments are closed.