জিএসটি বাবদ কেন্দ্রের আয় আরও কমল জুলাইতে, রাজ্যের প্রাপ্য নিয়ে চিন্তা থাকছেই

কর আদায় নেমে যাওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রয়োজনে রাজ্যের প্রাপ্যের হার কমাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন অজয়ভূষণ পাণ্ডে। মহামারীর সময়ে রাজস্ব আদায় কম হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবেই ওই মন্তব্য করেন পাণ্ডে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ও লকডাউনের জেরে কেন্দ্রের জিএসটি বাবদ আয় গত কয়েক মাস ধরেই কম। এবার জুলাই মাসে আয় জুনের থেকেও কম হল। জুন মাসে জিএসটি আদায় হয়েছিল ৯০,৯১৭ কোটি টাকা। জুলাইতে সেটা কমে হয়েছে ৮৭,৪২২ কোটি টাকা। তবে এপ্রিল বা মে মাসের তুলনায় বেড়েছে আয়। ওই দুই মাসে জিএসটি জমা পড়েছিল যথাক্রামে ৩২,২৯৪ ও ৬২,০০৯ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

সুশান্তের বাইপোলার ডিসঅর্ডার ছিল, ভুগছিলেন হাইপোম্যানিয়াতেও, প্রথমবার মুখ খুললেন অভিনেতার থেরাপিস্ট

অর্থমন্ত্রক প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, জুলাই মাসে মোট জিএসটি জমা পড়েছে ৮৭,৪২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রের ভাগ (সিজিএসটি) ১৬,১৪৭ কোটি টাকা। অন্য দিকে, রাজ্যের ভাগ (এসজিএসটি) ২১,৪১৮ কোটি টাকা। আইজিএসটি ৪২,৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে পণ্য আমদানি বাবদ মিলেছে ২০,৩২৪ কোটি টাকা। এছাড়াও সেস বাবদ জুলাই মাসে কেন্দ্রের আয় ৭,২৬৫ কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে যে পরিমাণ জিএসটি জমা পড়েছিল এই জুলাইয়ে তার ৮৬ শতাংশ মিলেছে। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, ৫ কোটি টাকার কম টার্নওভার এমন ব্যবসায়ীদের ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত জিএসটি জমা করার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে মহামারী পরিস্থিতির জন্য।

কেন্দ্রের জিএসটি বাবদ আয় কম হওয়ার কারণে রাজ্যগুলির প্রাপ্যও কমতে পারে বলে আগেই ইঙ্গিত মিলেছে। এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় অর্থসচিব অজয়ভূষণ পাণ্ডে। সম্প্রতি তিনি সংসদের অর্থ বিষয়ক কমিটির বৈঠকে জানিয়েছেন, বর্তমান হারে রাজ্যগুলিকে জিএসটির ভাগ দেওয়া কেন্দ্রের পক্ষে সম্ভব নয়।

কর আদায় নেমে যাওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রয়োজনে রাজ্যের প্রাপ্যের হার কমাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন অজয়ভূষণ পাণ্ডে। মহামারীর সময়ে রাজস্ব আদায় কম হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবেই ওই মন্তব্য করেন পাণ্ডে। এর পরে বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে, এটা হলে রাজ্যগুলিকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জবাব কী ভাবে দেবে কেন্দ্র? এর উত্তরে অর্থসচিব বলেন, আইনে সেই সুবিধা রাখা রয়েছে। কোনও কারণে রাজস্ব আদায় একটা স্তরের কম হলে রাজ্যকে ভাগ দেওয়ার ফর্মুলা বদল করার সংস্থান জিএসটি আইনে রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলিকে ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষের সর্বশেষ কিস্তি ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। বলা হয়েছে, মোট ১৩ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। এর পরে জিএসটির ভাগ কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে কী হিসেবে হবে তা নিয়ে গত জুলাইতেই বৈঠকে বসার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের। কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে সেই বৈঠক এখনও পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More