জামশেদপুরের কাছে সোনার খনি, করোনায় ধাক্কা খাওয়া দেশে আনন্দের খবর দিল জিএসআই

গত ৩ জুন ওই রিপোর্ট জমা দিয়েছে জিএসআই। তাতে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার ভিতরদারি গ্রামে রয়েছে ওই স্বর্ণ খনি। শিল্প শহর জামশেদপুরের ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে ওই গ্রামে মাটির নীচে কমপক্ষে ২৫০ কেজি সোনা রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশে সোনার খনির সন্ধান মিলল। আর সেটা এই রাজ্য থেকে কাছেই। পড়শি ঝাড়খণ্ডের জাশেদপুরের কাছে এই সোনার খনির খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (জিএসআই)। অনেক দিন ধরেই এনিয়ে খোঁজ খবর চালাচ্ছিল জিএসআই। সোনার খনি থাকার সম্ভাবনার খবর মিলতেই অনুসন্ধান শুরু হয়। এবার ফাইনাল রিপোর্ট দিল জিএসআই। শনিবার সংস্থার পক্ষে জানানো হয়েছে, ইতমধ্যেই সেই রিপোর্ট ঝাড়খণ্ড সরকারের হাতে দেওয়া হয়েছে।

    গত ৩ জুন ওই রিপোর্ট জমা দিয়েছে জিএসআই। তাতে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার ভিতরদারি গ্রামে রয়েছে ওই স্বর্ণ খনি। শিল্প শহর জামশেদপুরের ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে ওই গ্রামে মাটির নীচে কমপক্ষে ২৫০ কেজি সোনা রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি ওই স্বর্ণ খনি খোঁড়ার জন্য নিলাম করা হবে।

    আরও পড়ুন

    সোনাগাছিতে লম্বা লকডাউন, ফোন রিচার্জেরও পয়সা নেই, কলকাতার ‘লাল’ পাড়া নিকষ সাদা-কালো

    করোনা আবহে মন্দা দেশের অর্থনীতিকে গ্রাস করেছে। এমনই এক সময়ে এমন সম্পদ প্রাপ্তির খবর নিঃসন্দেহে আনন্দের। জিএসআই-এর রিপোর্ট বলা হয়েছে, ভিতরদারি, হাকেগোরা এলাকায় যে পরিমাণ স্বর্ণ আকর রয়েছে তা থেকে আনুমানিক ২৫০ কেজি সোনা মিলতে পারে। ওই এলাকায় সোনার খনি অনুসন্ধানের জন্য ৬০০ মিটার গভীর ছ’টি গর্ত খোঁড়া হয়। এর পরে সেখান থেকে ৭০০-র বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই সব নমুনা পরীক্ষার পরে জিএসই স্বর্ণ খনি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে। ২০০৯-১০ সাল থেকেই ওখানে খোঁড়াখুড়ি শুরু করে জিএসআই। জানা গিয়েছে, জি-ফোর স্টেজের অনুসন্ধান চালানো হয়। আর তারপরেই জানা গিয়েছে, ১৫০ মিটার গভীরে রয়েছে সোনা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More