করোনা: উঠে গেল মিনিমাম ব্যালেন্স নিয়ম, অন্য এটিএম থেকে টাকা তুলতে লাগবে না চার্জ

করোনা সংক্রমণ বিপর্যয়ের মধ্যেই দেশের আর্থিক ভারসাম্য স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে অর্থমন্ত্রক তাই বেশ কিছু ঘোষণা করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের ভয়ে প্রায় গোটা দেশে চলছে লকডাউন। সাধারণের হাতে নগদ টাকার ঘাটতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিল অর্থমন্ত্রক। আগামী ৯০ দিনের জন্য অন্য ব্যাঙ্কের এটিএম ব্যবহার করলে কোনও চার্জ দিতে হবে না। একই সঙ্গে আপাতত কোনও ব্যাঙ্কেই মিনিমাম ব্যালেন্স রাখা বাধ্যতামূলক থাকছে না। প্রয়োজনে অ্যাকাউন্টে থাকা সব টাকা তুলে নেওয়া যাবে।

করোনা সংক্রমণ বিপর্যয়ের মধ্যেই দেশের আর্থিক ভারসাম্য স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে অর্থমন্ত্রক তাই বেশ কিছু ঘোষণা করেছে। এদিন অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ডেবিট কার্ডের গ্রাহকেরা যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে আগামী ৯০ দিন বিনা চার্জে যতখুশি টাকা তুলতে পারবেন। এর আগে হোম ব্যাঙ্কের বাইরে অন্য ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে তিন বারের বেশি টাকা তুললে, চার্জ দিতে হত। হোম ব্যাঙ্ক এটিএম-এর সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৫। সেই সীমারেখা আগামী তিন মাসের জন্য তুলে দেওয়া হল।

একই সঙ্গে অনলাইন ব্যাঙ্কিংয়ে কমানো হয়েছে ধার্য করের হার। অর্থ মন্ত্রকের আবেদন, প্রয়োজন ছাড়া ব্যাঙ্কে যাবেন না। অনলাইন লেনদেন করুন, ইউপিআই লেনদেন করুন। রাখতে হবে না মিনিমাম ব্যালেন্স। তুলে দেওয়া হয়েছে ডেবিট কার্ডে অন্য এটিএম থেকে টাকা তোলার ওপর চার্জও।
এদিন বলা হয়েছে, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের আইটি রিটার্ন এখনও যাঁরা জমা করেননি, তাঁদের জন্য সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে সেই রিটার্ন ফাইল করতে হবে। প্যান আর আধার সংযুক্তি ৩০ জুন অবধি বাড়ানো হবে। যে সংস্থা এখনও টিডিএস জমা করেনি, তাদের জরিমানা ১৮% থেকে কমিয়ে ৯% করা হয়েছে।

এছাড়াও যাদের বার্ষিক আয় ৫ কোটির নীচে এমন মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের জিএসটি দাখিলে ছাড় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পর সেই সংস্থাগুলো জিএসটি দাখিল করলে জরিমানা খাতে অতিরিক্ত সুদ দিতে হবে না। এর ফলে ক্ষুদ্র-অতি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কিছু সুরাহা মিলবে। ৫ কোটির উপরে যাদের বার্ষিক আয় তাদের লেট ফি হিসেবে ৯% সুদ হিসেবে জরিমানা ধার্য হবে। মার্চ-মে, ত্রৈমাসিকে জিএসটি পরিশোধের সময় ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

করোনা মহামারীর প্রভাবে ভারতীয় অর্থব্যবস্থাকে পোক্ত রাখতে যৌথভাবে কাজ করছে আরবিআই ও অর্থমন্ত্রক। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এদিন বলেছেন, আয়কর ছাড়ের সুবিধা দিতে নিয়ামক আইনে ছাড় আনতে চলেছে মন্ত্রক। অর্থ মন্ত্রক সূত্রে খবর, মাঝারি ও খুচরো শিল্পকে বাঁচাতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে অর্থমন্ত্রক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More