করোনা আবহে সোনার দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, কম যাচ্ছে না রুপোও

ভারতের ঘরোয়া বাজারে প্রয়োজনীয় সোনার অধিকাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার, আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য প্রভৃতি দেশের ভিতরে সোনার দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোনার দাম ক্রমশই উর্ধমুখী। কলকাতায় এদিন ২৪ ক্যারাট সোনার ১০ গ্রামের দাম হয়েছে ৪৮ হাজার ২০০ টাকা। আর ২২ ক্যারাট সোনার প্রতি ১০ গ্রামের দাম হয়েছে ৪৬ হাজার ৯১০ টাকা। কম নয় রুপোর দামও। এদিন কলকাতার বাজারে এক কেজি রুপোর দাম ৪৭,৭০০ টাকা। তবে রুপোর দাম মঙ্গলবারের তুলনায় কেজিতে ১০০ টাকা কমেছে।

    ভারতের ঘরোয়া বাজারে প্রয়োজনীয় সোনার অধিকাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার, আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য প্রভৃতি দেশের ভিতরে সোনার দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় শুল্ক, জিএসটি, রাজ্য সরকারগুলির চাপানো সেস, মেকিং চার্জ ইত্যাদির কারণে বাড়ে সোনা-রুপোর গয়নার দাম। আর যেহেতু এক এক রাজ্যে সোনা এবং রুপোর উপরে করের হার এক এক রকম তাই রাজ্য ও শহর অনুযায়ী দামের তারতম্য ঘটে।

    আরও পড়ুন

    ডেক্সামিথাসোন কি, করোনা সারাতে কেন ৬০ বছরের পুরনো ওষুধকেই জীবনদায়ী বলছে অক্সফোর্ড

    ভারতের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের বৃহত্তম সংগঠন ইন্ডিয়া বুলিয়ান অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (আইবিজেএ)-এর হিসেব অনুসারে বুধবার দিল্লিতে ২২ ক্যারাট সোনার ১০ গ্রামের দাম ৪৬ হাজার টাকা। যেখানে চেন্নাইয়ে ৪৫,৫৩০ টাকা। আর মুম্বইয়ে প্রতি ১০ গ্রামের দর ৪৬,১০০ টাকা।

    মঙ্গলবারই কোভিড-১৯ রোগের ওষুধের সন্ধান মিলেছে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ঘোষণা করেছে করোনা প্রতিরোধে জীবনদায়ী ওষুধ ডেক্সামিথাসোন। এই স্টেরয়েড সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগীদের পেশীতে বা শিরার মধ্যে ইনজেক্ট করে দেখা গেছে শরীরের তীব্র প্রদাহ কমেছে, অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। দাবি এমনটাও, ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা রোগী যাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি ছিল, তাদের এক তৃতীয়াংশই এই ওষুধের ডোজে স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। ডেক্সামিথাসোনের ডোজের কারণেই অক্সিজেন সাপোর্টে থাকা রোগীরাও স্বাভাবিক পরিবেশে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে পারছে। এই সুখবরের পাশাপাশি নতুন করে চিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারেও।

    আমেরিকার খুচরো বাজারে মঙ্গলবার সোনার চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে। আবার মার্কিন ফেডারেল রিসার্ভ অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে কর্পোরেট বন্ড কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলেও চাহিদা বেড়েছে সোনার। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধিই সোনার এই দাম বাড়ার পিছনে বড় কারণ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More