মঙ্গলবার, মার্চ ১৯

চশমা পরলে আর ‘চশমিস’ নয়, মেয়েদের পছন্দের তালিকায় এখন ‘চারচোখো’ ছেলেরাই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চল্লিশেই চালশে, কথাটা খুব চেনা তো ? সব কিছুর মতোই আজকাল এই চালশেরও কোনও বয়সসীমা নেই। ১২ থেকে ২২ যে কারও চোখেই উঠতে পারে নতুন গয়না হিসেবে। এই চশমার জন্যই আগে যাকে বলা হত ‘চশমিস’ বা ‘ব্যাটারি’, ভাবা হতো বোকাসোকা মানুষ, এখন কিন্তু হিসেবটা বদলে গেছে অনেক। অন্তত সমীক্ষাতো তাই বলছে। বলছে, মেয়েরা আজকাল বেশ পছন্দই করছেন চশমা পরা ভোলাভালা ছেলেদের।

অবাক হচ্ছেন তো? অবাক করছে সমীক্ষাই। চিরকালই ছেলেদের দল শাসন করবে আর বেচারি বেচারি ভাব নিয়ে তা সহ্য করবে মেয়েরা, এই ধারণা বদলাচ্ছে ধীর পায়ে। লাজুক, নম্র, বিনয়ী এসব বিশেষণগুলো আর একদমই নারীকেন্দ্রিক নয়। তাই চশমা আঁটা, হাল্কা লাজুক, একটু কম জানা অথচ কথায় কথায় নির্মেদ খুনসুটিতে আনন্দ দেওয়া পুরুষদেরই মহিলারা বেছে নিচ্ছেন আজকাল। এই ধরনের ছেলেরা আপনার সঙ্গে ইন্টেলেকচুয়াল আলোচনাতেও ডুববে, আপনাকে জীবনবোধও শেখাবে, সোহাগ করে শাসনটাও করবে। কিন্তু যে মোড়কে সে এই সব করবে, তাতে সে চোখের আড়াল হলেই আপনার মধ্যে তৈরি হবে তার অভাববোধ। আর তা থেকেই প্রেম ঘন হওয়ার রাস্তা পরিষ্কার।

কোন সূত্রে এই সমীকরণ কাজ করে?

যে কোনও প্রেমেই শরীর না এলে পূর্ণতা পায় না বলে মনে করেন এ যুগের অনেক মানুষই। আর চশমা পরা ছেলেরা নাকি বিছানাতেও আনন্দ দেয় সমান ভাবে। তারা নিজেদের নিয়ে এতটাই আত্মবিশ্বাসী থাকে, যে সহজেই পরিবারের লোকজনের কাছে তাদের নিয়ে যাওয়া যায়। তাতে মেয়েরা চট করে ভরসাও পেয়ে যায় চশমাধারীর থেকে। সমীক্ষা তো এমনও বলছে যে, এরা মেয়েদের ছোট ছোট ভুলগুলোকে খুব সহজেই ইগনোর করে দেয়, তাদের অযথা বকাঝকাও করতে যায় না। তারা নাকি বোঝে, জীবন সহজে চালানোর রাস্তাটা আসলে কী!

তাই প্রেমিক থেকে বর অথবা সন্তানের বাবা, সব ভূমিকাতেই এই চশমাধারীরাই এগিয়ে থাকছে। ভরসাযোগ্য হয়ে উঠেছে এরাই। তাই ভিড়ের মাঝেও সহজেই আপনি খুঁজে নিতে পারবেন আপনার মিস্টার পারফেক্টকে, হ্যাঁ তার চশমার গুণেই।

Shares

Comments are closed.