আদাজল খেয়ে আদা খাবেন না, পরিমিত খান

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খোঁজ রাখি না।  এ তো আমরা কোনও না কোনও সময় একবার না একবার বলেই থাকি।  আর তাই হয় তো আদা জল খেয়ে কোনও কাজে ঝাঁপিয়েও পড়ি।  আদায় কাঁচকলায় যে সম্পর্কই থাকুক, আমাদের রান্নাঘরে রোজ কাঁচকলার চেয়েও বেশি কাজে লাগে এই আদাই।  আমিষ হোক বা নিরামিশ যে কোনও রান্নায় দেওয়া হয় আদা, স্পাইসি ফুড হোক বা পাতলা ঝোল সেই আদা।  পেঁয়াজ, রসুনের দোসর এই আদাই আবার মাথা ব্যথায় চা-এ দিয়ে আরাম খুঁজি আমরা।  এ তো গেল গরম চা, আবার ঠাণ্ডা সরবতেও আদা কুচি দিয়ে আমরা রিফ্রেশমেন্ট হাতড়াই।  খুব ঠাণ্ডা লেগে বুকে কফ জমলে, পেটে ব্যথা করলেও আদা কুচি দিয়ে আমরা একটু আরাম পাই।  আয়ুর্বেদে এই আদার কথা বলা আছে।  ঘরোয়া টোটকায় এর গুরুত্বের কথা বারবার আলোচনায় এসেছে।
    কিন্তু যে কোনও কিছুই অতিরিক্ত হলে তো ক্ষতিকর।  তাই আদার উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হলেও কিন্তু সমস্যা।

    কী কী সাইড এফেক্ট হতে পারে, অতিরিক্ত আদা খেলে, জেনে নিন…

    অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ
    রক্তকে অনেকটা পাতলা করে দেয় আদা।  স্যালিসাইলেট অ্যাসিড থাকে আদায়।  এই অ্যাসিড রক্তকে জমাট বাধতে দেয় না।  ফলে রক্ত সহজে বেরিয়ে যায় শরীর থেকে।  তাই মেন্স্ট্রুয়াল সাইকেলের সময়ে অতিরিক্ত আদা খাওয়া ঠিক নয় মহিলাদের।

    হাইপোগ্লাইসেমিয়া
    রক্তে গ্লুকোজ়ের মাত্রা অনেকটা কমে গেলে বলা হয় হাইপোগ্লাইসেমিয়া।  আদায় থাকা জিঞ্জারোল রক্তের গ্লুকোজ়ের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।  যাঁদের ডায়াবেটিসের সমস্যা নেই, বা লো ব্লাড সুগারের রোগী যাঁরা, তাঁদের খুব বেশি আদা খাওয়া ঠিক নয়।  কারণ এতে সমস্যা বাড়তে পারে।  হাইপোগ্লাইসেমিয়া বেড়ে গেলে মানুষের কোমায় গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    হজমের সমস্যা
    একদিকে তো আমরা জানি গলা বুক জ্বালা, গ্যাস, হজমের সমস্যায় আদা কাজে দেয়।  কিন্তু ঠিক তার উল্টোটাও শোনা যায়, অর্থাৎ সারাদিনে ৪-৫ গ্রামের বেশি আদা খেলে সামান্য বুক জ্বালা, গ্যাসের সমস্যাও হতে পারে।  তাই পরিমাণের দিকে নজর রাখবেন সবসময়।

    লো ব্লাড প্রেশার
    সাধারণত বলা হয় যাঁদের হাই ব্লাড প্রেশার আর হাইপার টেনশন আছে, তাঁদের জন্য আদা উপকারি।  আর ঠিক তার উল্টোটাই স্বাভাবিকভাবে হয়।  অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেশারের রোগীরা বেশি আদা খেলে প্রেশার আরও ফল করে, সঙ্গে অন্য উপসর্গও বাড়তে থাকে।

    এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জানার পরেও আমাদের রান্নাঘরে আদা থাকবেই।  সেটাই স্বাভাবিক।  কোনওকিছুই একেবারে বাদ দিলে তো চলে না, তবে সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখতেই হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More