‘মা তোমায় ভালবাসি, বাচ্চাদের বোলো ভালবাসি ওদের, মরে যাচ্ছি…’ শেষ মুহূর্তে বলেছিলেন জর্জ ফ্লয়েড

‘আমি দম নিতে পারছি না...’ এ বাক্যটি একবার নয়, ২০ বারেরও বেশি বলেছিলেন জর্জ। শোনা গেছে, নির্মম পুলিশ অফিসার জেরেক চাওভিন, যিনি হাঁটু দিয়ে ফ্লয়েডের গলা চেপে ধরে রেখেছিলেন তখন, তাঁকে বলতে শোনা গেছে, "কথা বলতেও অনেক দম লাগে। কথা বোলো না।"

২৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের ক্ষত এখনও টাটকা। এখনও অনেকেরই মনে আছে, মৃত্যুর আগে একটু শ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফটিয়ে উঠেছিলেন জর্জ, চেয়েছিলেন জল। তাঁর গলায় পা দিয়ে পিষে মারার ভিডিও এখনও অনেকের কাছে আতঙ্ক। এবার আরও একটি অডিও ক্লিপ সামনে এল। মৃত্যুর আগের মুহূর্তে কী বলেছিলেন জর্জ, স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে তাতে। আর তা শুনেই যেন আরও একবার গুমরে উঠছেন নেটিজেনরা। এতটা কষ্ট দিয়ে কাউকে মারা যায়!

‘আমি দম নিতে পারছি না…’ এ বাক্যটি একবার নয়, ২০ বারেরও বেশি বলেছিলেন জর্জ। শোনা গেছে, নির্মম পুলিশ অফিসার জেরেক চাওভিন, যিনি হাঁটু দিয়ে ফ্লয়েডের গলা চেপে ধরে রেখেছিলেন তখন, তাঁকে বলতে শোনা গেছে, “কথা বলতেও অনেক দম লাগে। কথা বোলো না।”

শুধু তাই নয়। ওই ক্লিপে শোনা যায় আরও এক করুণ আর্তি। মৃত্যুর হয়তো কয়েক মুহূর্ত বাকি তখন, জর্জ ডুকরে ওঠেন, “মা আমি তোমায় খুব ভালবাসি। মা, আমার বাচ্চাদের বোলো, আমি ওদের ভালোবাসি। আমি মরে যাচ্ছি…।” বারবার জলও চাইতে থাকেন তিনি।

২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড পুলিশি নির্যাতনে খুন হওয়ার পরে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে আমেরিকা তথা বিশ্বজুড়ে। বুধবার আদালতে পুলিশের বডি-ক্যামেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে এই অডিও ক্লিপ। প্রকাশ্যে এসেছে ফ্লয়েডের শেষ আকুতি।

এই অডিও থেকে একথা পরিষ্কার, ফ্লয়েড পুলিশকে সহযোগিতা করতে অসম্মত হননি। তার পরেও অত্যাচার চলে নির্মম ভাবে। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর আগে ফ্লয়েড পুলিশকে একাধিক বার বলেন, তিনি করোনায় আক্রান্ত। তাঁকে যেন গুলি না করা হয়।

এর পরেই ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরার শব্দ শোনা যায়। ছটফট করতে থাকেন জর্জ। একটু শ্বাস নেওয়ার জন্য, একটু জলের জন্য অকথ্য কষ্ট পান শেষ সময়টা। যখন হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন, আর কখনও ফেরা হবে না, মায়ের কথা বাচ্চাদের কথা মনে হয়েছিল তাঁর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More