শনিবার, নভেম্বর ২৩
TheWall
TheWall

সনিয়াদের এসপিজি তুলে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অমিত শাহের বাড়ির সামনে কং বিক্ষোভ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবারই কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী, তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী ও মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর এসপিজি সুরক্ষা তুলে নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এদিনই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখালেন কংগ্রেসকর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, সরকার সনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কার জীবন নিয়ে খেলা করছে। রাজনৈতিক কারণেই গান্ধী পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখন এসপিজি কভার পাবেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নিহত হওয়ার পর থেকেই তাঁর পরিবারের সদস্যরা এসপিজি কভার পেয়ে থাকেন। কিন্তু এবার থেকে তাঁদের জেড প্লাস সিকিউরিটি দেওয়া হবে। তাঁদের পাহারা দেবেন সিআরপিএফের ১০০ জন কর্মী।

গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, সরকার তাঁদের এসপিজি কভার তুলে নেওয়ার কথা জানায়নি। তাঁরা মিডিয়া মারফৎ এই খবর জেনেছেন।

কংগ্রেস কর্মীদের প্রশ্ন, কীসের ভিত্তিতে সনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কার নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হল? তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য অন্ধ হয়ে গিয়েছেন। সরকারের বক্তব্য, গান্ধী পরিবারের সদস্যদের জীবনের ঝুঁকি কী পরিমাণে আছে তা খতিয়ে দেখেই এসপিজি কভার তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

১৯৮৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার এক বছর বাদে স্পেশ্যাল প্রোটেকশন ফোর্স বা এসপিজি গঠন করা হয়। সেই বাহিনীতে ৩ হাজার সদস্য আছেন। ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা দেওয়া তাঁদের কাজ।

রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর এসপিজি আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁদের পরিবার ১০ বছর স্পেশাল প্রোটেকশন গার্ডের সুরক্ষা পাবেন। ২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে সেই আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, ১০ বছর নয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার এক বছর এসপিজি প্রোটেকশন পাবেন। তারপর খতিয়ে দেখা হবে, তাঁদের কতদূর নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।

Comments are closed.