বিপাকে বিজয়, যে কোনও সময়ে ভারতে নিয়ে আসা হবে ‘লিকার ব্যারন’ মালিয়াকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়াকে যে কোনও সময়েই ভারতে নিয়ে আসা হবে। এমনটাই দাবি করেছে সংবাদসংস্থা আইএএনএস। জানা গিয়েছে ইংল্যান্ড থেকে মুম্বই বিমানবন্দরে মালিয়াকে নিয়ে নামবেন ভারতীয় তদন্তকারীরা। বিলেতে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না। দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়ার শেষে বিজয় মালিয়াকে দেশে নিয়ে আসার ছাড়পত্র পেল ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ৬৩ বছরের শিল্পপতি বিজয় মালিয়ার বিরুদ্ধে
    অভিযোগ, তিনি ভারতের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে ন’হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পালিয়ে যান। তিনি নিজে অবশ্য অনেকবারই বলেছেন, সুযোগ পেলেই সব ঋণ শোধ করে দেবেন। কিন্তু তাঁকে ‘পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী’ ঘোষণা করার জন্য আদালতে আবেদন জানায় এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট (ইডি)।

    অনেক দিন ধরেই ব্রিটেনে গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন কিংফিশার এয়ারলাইন্সের কর্ণধার। ইংল্যান্ডের আদালতে ভারতে প্রত্যার্পণ ঠেকাতে মামলাও করেন বিজয় মালিয়া। কিন্তু গত ১৪ মে সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এর পরেই ইডি-র তরফে জানানো হয়, খুব শীঘ্রই তাঁকে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে প্রত্যার্পণ করা হবে। এখন জানা গিয়েছে, যে কোনও মুহূর্তে তাঁকে ভারতে আনা হবে। ইংল্যান্ড থেকে সরাসরি মুম্বইতে আনা হবে কারণ, কারণ সেখানেই তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মূল মামলাটি দায়ের হয়।

    সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ভারতে প্রত্যার্পণের পরে বিজয় মালিয়াকে হেফাজতে নেবে সিবিআই। কেননা তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ দায়ের করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। ইংল্যান্ডের আদালত মালিয়ার প্রত্যার্পণের আবেদন বাতিল করেছে ১৪ তারিখে। তার পরে ইতিমধ্যেই ২০ দিন কেটে গেছে। ফলে যে কোনও সময়েই বিজয় মালিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

    দেশে ফিরতে না চেয়ে ইংল্যান্ডের আদালতে বিজয় মালিয়া এমনও বলেন যে, ভারতের জেলের ভিতরে বন্দিদের খুব খারাপ পরিবেশে রাখা হয়। সেখানে নিয়ে গেলে তাঁর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। তখন ভারতের গোয়েন্দারা আর্থার রোড জেলের ভিতরকার ভিডিও চিত্র আদালতে পেশ করেন। তবে সেসব করেও কোনও লাভ হল না বিজয় মালিয়ার।

    গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন শিল্পপতির নাম জানা গিয়েছে যাঁরা এদেশে বিপুল পরিমাণ টাকা তছরুপ করে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। নাম উঠেছে নীরব মোদী ও মেহুল চোকসির। মেহুল ও তাঁর ভাইপো তথা হিরে ব্যবসায়ী নীরবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১৩ হাজার কোটি টাকা চুরি করে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। মেহুল এখন অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডায় বাস করেন। তিনি অ্যান্টিগুয়ার নাগরিকত্বও নিয়েছেন। এই অবস্থায় তাঁকে বন্দি করে ভারতে আনা কতদূর সম্ভব হবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে অনেকেরই। এসব নিয়ে যথেষ্টই চাপে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এবার বিজয় মালিয়াকে ভারতে আনা গেলে অনেকটাই চাপমুক্ত হবে কেন্দ্র।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More