চারটি দল মিলে চালিয়েছিল ‘অপারেশন কমল’, মহারাষ্ট্রে দাবি শিবসেনা নেতার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার আচমকাই মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সোমবার শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, চারদল লোক মিলে চালিয়েছে ‘অপারেশন কমল’। এই চারদল হল সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট, ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট ও পুলিশ।

সঞ্জয় রাউতের কথায়, “সিবিআই, ইডি, আয়কর দফতর ও পুলিশ মিলে অপারেশন কমল চালিয়েছে। যদি তাদের গরিষ্ঠতা থাকত, তাহলে কি অপারেশন কমল চালানোর প্রয়োজন হত?” পরে তিনি বলেন, তাঁর সুপ্রিম কোর্টের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস আছে। তাঁর কথায়, “যাঁরা অজিত পাওয়ারকে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা এক এক করে ফিরে আসছেন। পুরো অপারেশনটা চালানো হয়েছিল গুরগাঁওয়ের এক হোটেল থেকে। এনসিপি ও শিবসেনা নেতারা রবিবার রাতে সেই হোটেলে যান। তাঁরা রেসকিউ অপারেশন চালিয়ে বিধায়কদের উদ্ধার করে আনেন।”

তিনি বলেন, ‘উদ্ধার হওয়ার’ পর বিধায়করা তাঁদের জানিয়েছেন, বিজেপি কী অফার দিয়েছিল। কীভাবে হুমকি দিচ্ছিল।

শনিবার ভোর পাঁচটা বেজে ৪৭ মিনিটে মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান হয়। সকাল সাতটা বেজে ৫০ মিনিটে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন। এনসিপি-র অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। ২৮৮ আসনবিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপির আসন আছে ১০৫ টি। সরকার গড়ার জন্য তার চাই আরও ৪০ টি আসন। দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারিকে জানান, ১৭০ জন বিধায়ক তাঁর পক্ষে আছেন। তখন তাঁকে সরকার গড়তে ডাকা হয়। অন্যদিকে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের জোটের দাবি, তাদের পক্ষে আছেন ১৫৪ জন বিধায়ক। তারা চায়, অবিলম্বে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হোক।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More